Showing posts with label মোবাইল টিপস. Show all posts
Showing posts with label মোবাইল টিপস. Show all posts

Saturday, 30 January 2016

মোবাইল দিয়ে গাড়ি আনলক করা

মোবাইল দিয়ে গাড়ি আনলক করা

মোবাইল দিয়ে গাড়ি আনলক করা

আপনার গাড়িতে যদি রিমোর্ট কন্ট্রোলড লক সিস্টেম থেকে থাকে এবং ধরুন কোণ একদিন ভুল করে চাবিটি গাড়ির ভেতরে রেখে দরজা লক করে দিলেন এবং অন্য কোণ উপায়েও খোলার সিস্টেম নেই তখন মোবাইল দিয়ে সেটি আনলক করতে পারবেন।

আর সেজন্য অবশ্যই আরেকটি রিমোর্ট কন্ট্রোলড চাবি থাকতে হবে কিন্তু সেটি আপনার হাতে না থাকলেও চলবে। ধরুন ২য় চাবিটি বাড়িতে আছে, তাহলে বাড়িতে কাউকে ফোন করুন এবং মোবাইল টি গাড়ির ডোর লক এর এক ফুট পরিমান দুরত্তে ধরে রাখুন এবার ফোনের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তিকে বলুন মোবাইলের কাছে ধরে আপনার রিমোর্ট চাবিটির আনলক বাটন চাপতে। 

আশা করি কাজ হয়ে যাবে। চেষ্টা করে দেখুন।

ফোন চুরি হয়ে গেলে

ফোন চুরি হয়ে গেলে

ফোন চুরি হয়ে গেলে

এই টিপস টি আপনার ফোন টা হয়ত পুনরুদ্ধার করে দিতে পারবেনা কিন্তু যে আপনার ফোন টী নিয়েছে সে ওটাকে আর ব্যবহার করতে পারবেনা। 

এবং বিক্রিও করতে পারবেনা। সুতরাং চোরকে একটা উচিত শিক্ষা দিন এইভাবেঃ এক্ষুনি প্রেস করুন *# 06 # এরপর একটা সিরিয়াল কোড নাম্বার দেখাবে সেটিকে কোথাও লিখে রাখুন। 

ফোনটা চুরি হয়ে গেলে আপনার সার্ভিস প্রোভাইডার কিংবা ফোন কোম্পানির কোণ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে এই নাম্বার টি দিয়ে কাহিনি খুলে বলুন।

ওরা ফোন অকেজো করে দিবে। এরপর চোর মহাশয় যখনি নতুন কোণ সিম ঢুকাবে ব্যাস ফোন চিরতরের জন্য মৃত্যুবরন করবে।

বর্তমানে এই সিরিয়াল বা IMEI কোডটা র‍্যাব অথবা পুলিশকে দিলে; তারা অনেক সময় আপনার ফোনটি খুঁজে এনেও দিতে পারে।

ইমারজেন্সি কল

ইমারজেন্সি কল

ইমারজেন্সি কল

এমন যদি হয় যে আমরা নেটওয়ার্ক কভারেজের বাহিরে আছি এবং কোন নেট খুজে পাচ্ছিনা সেক্ষেত্রে 112 এই ইমারজেন্সী নম্বর টি সব ফোন এর ক্ষেত্রেই ব্যবহারযোগ্য। 

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এটি যে কাজ করে তা হলো, এটি প্রেস করার সাথে সাথে ইহা আপনার জন্য নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্ক খুজে বের করবে এবং ঐ অপারেটর এর ইমারজেন্সি নাম্বারটির সাথে আপনাকে কানেক্টেড করবে। 

এখন তো সবাই নেট কভারেজের মধ্যেই আছি তাইনা? এখুনি একবার ডায়াল করে দেখুন দেখবেন ডায়াল করলেই নাম্বারটি দেখাবে না, দেখাবে Emergency !

সিম ক্লোন এবং ভয়াবহতা

সিম ক্লোন এবং ভয়াবহতা

সিম ক্লোন এবং ভয়াবহতা

১- সিম ক্লোন কি?

একটি সিম যেটি আপনি ব্যবহার করছেন সেই সিম টি যদি অন্য কেউ ব্যবহার করে কিংবা এক নাম্বার যদি দেখেন এক সাথে দুইজন ব্যবহার করে কিংবা হঠাৎ করে যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের কানেকশন নাম্বার থেকে ব্যালান্স কোন কারন ছাড়া কমে যাচ্ছে তবে আপনি সিম ক্লোনের শিকার।

২- কিভাবে শিকার হতে পারেন সিম ক্লোনের? এবং রক্ষার উপায় কি?

আপনি যদি অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে মিসড কল পান এবং সেটাতে যদি কল ব্যাক করেন তবে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকারে পরিনত হতে পারেন। দুষ্কৃতকারীরা বিশেষ একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার নাম্বার টি ক্লোনিং করে। অর্থাৎ আপনি যখন মিসড কল নাম্বারে কল ব্যাক করবেন তখন একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে আপনার নাম্বার টি ক্লোন হতে পারে। সিম ক্লোনিং হলে আপনার সিমে রাখা ডাটা ক্লোন নাম্বারে চলে যাবে। এবং আপনার প্রাইভেসি ক্ষুণ্ণ হবে।৩- যে সমস্যায় আপনি পড়তে পারেন সিম ক্লোনিং হয়ে গেলে?

সাধারনত জঙ্গি কিংবা দুষ্কৃতিকারীরা আপনার নাম্বার টি ব্যবহার করে আপনার জীবন বিপন্ন করতে পারে। অর্থাৎ ওই নাম্বার দিয়ে কেউ কাউকে মৃত্যুর হুমকি, চাঁদাবাজি কিংবা জঙ্গি কানেকশন করলে আপাত দায়ভার আপনার উপর বর্তাবে। কাজেই আপনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধৃত হবেন। পরবর্তীতে আরও নানাবিধ সমস্যায় পড়তে পারেন।লক্ষ্য করুন———–

* ভারতে সম্প্রতি এক লাখ সিম ও রিম কার্ড ক্লোনিং হয়েছে। সেখানকার গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে ওই ক্লোনিং সিম বা রিমের মাধ্যমে অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে।

* বাংলাদেশে এখনও সিম ক্লোনিং হয়েছে বলে ৬ টি মোবাইল অপারেটরের হাতে এমন কোন তথ্য নেই। তবে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে যে কোন সময় এমন অনাকাংখিত ঘটনা ঘটতে পারে।সতর্ক হবেন যেভাবে-

* অপরিচিত নাম্বার থেকে মিসড কল এলে আপনি কল ব্যাক করার পূর্বে ভালো করে চিহ্নিত করবার চেষ্টা করুন যে এটি কার নাম্বার। অথবা কল ব্যাক করা বন্ধ করুন।

* মনে রাখবেন সিম ক্লোনিং হতে হলে মিসড কল আসবে। ডাইরেক্ট রিং হলে সেটি রিসিভ করলে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকার হবেন না। মিসড কল এলেই সতর্ক হন।

* যদি দেখেন আপনার সেল ফোনের ব্যালান্স অকারণে কমে যাচ্ছে সাথে সাথে কল সেন্টারে ফোন করে জানান।

* আপনার সেল ফোন টি এখনি বন্ধ করে অন্য একটি নাম্বার থেকে আপনার নাম্বারে ফোন দিন। দেখুন রিং হয় কিনা। রিং হলে আপনি সিম ক্লোনিং এর শিকার।

সবাই সতর্ক থাকুন ,ভালো থাকুন ।

রিচার্জ করে দিন বন্ধুর মোবাইলে

রিচার্জ করে দিন বন্ধুর মোবাইলে

রিচার্জ করে দিন বন্ধুর মোবাইলে

এখন ক্রাচ কার্ড দিয়ে আপনার মোবাইল থেকে [ গ্রামীনফোন / রবি / এয়ারটেল ] রিচার্জ করে দিন আপনার বন্ধুর মোবাইলে !

গ্রামীনফোন -

গ্রামীনফোন রিচার্জ করতে *555*গোপন নাম্বার*যে জিপি নাম্বারে রিচার্জ করবেন সেই নাম্বার#

রবি -

রবি নাম্বারে রিচার্জ করতে *111*গোপন নাম্বার*আপনার বন্ধুর রবি নাম্বার#

এয়ারটেল-

এয়ারটেল নাম্বারে রিচার্জ করতে *787*গোপন নাম্বার*আপনার বন্ধুর এয়ারটেল নাম্বার#

বিরক্তিকর কলারকে ব্লক করুন

বিরক্তিকর কলারকে ব্লক করুন

বিরক্তিকর কলারকে ব্লক করুন

বিরক্তিকর কলারকে ব্লক করুন কোনো সফ্টওয়্যার ছাড়াই, টাকা ছাড়াই। 

অনেক সময় আমাদের মোবাইল এ বিরক্তিকর কল আসে সেটা বন্ধকরতে আমরা বেছে নেই CallBlock Service। সেজন্য অপারেটররা প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা কেটে নেয়। এমনকি অনেকে বিভিন্ন প্রকার Call block সফ্টওয়্যার ওব্যবহার করি। কিন্তু আমরা বেশিরভাগই এই ২পদ্ধতির কোনোটাই ব্যবহার করিনা বা করতে চাইনা। তাই এসব জামেলায় না গিয়ে আপনাদের একটা সহজ টিপস দিবো। আসুন দেখে নেই টিপসটি-----

***জিপি, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল এর জন্য***

প্রথমে আপনার মোবাইল এর CallDivert Option এ যান (VoiceCall) এরপর সেখান থেকে Divert When Busy/If busy তে চাপুন এবং Active চাপুন।

তারপর To Other Number এ নিচের অপারেটর অনুসারে নাম্বার বসিয়ে দিন এবং Ok চাপুন।

ক) GP এর জন্য 1266
খ) Robi এর জন্য 8121
গ) Banglalink এর জন্য 770
ঘ) Airtel এর জন্য 789

এবার ফলাফলঃ

এখন থেকে যে কলারই আপনাকে কল করুক না কেন আপনি শুধু Call টা কেটে দিন। এখন যে আপনাকে Call করছে তার ১২টা বাজতে শুধু করছে। অর্থাত্‍ তার মোবাইল এ Call টা রিসিভ হয়ে গেছে। ভয় নেই আপনার টাকা কাটবেনা। আরেকটি পদ্ধতি হলো--- আপনার মোবাইল এ"Screening Option" থাকলে সেখানে গিয়ে List এ বিরক্তিকর কলার নাম্বার এড করুন ব্যাস।

Android জগতে নতুন আপনি?

Android জগতে নতুন আপনি?

Android জগতে নতুন আপনি?

যদি একদন নতুন Android ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে নিচের বিষয়গুলা জেনে রাখা উত্তমঃ 

1. Android কি?
– Android হলো একটি operating system, যেমন কম্পিউটারের জন্য Windows এবং iPhones and iPads এর জন্য iOS.

2. Android এর নির্মাতা কে?
– Google হলো Android এর পোস্ট- নির্মাতা। মানে হচ্ছে, গুগল আরেকজনের কাছ থেকে Android কিনে নিয়ে নিজের মতো করে বাজারে এনেছে। Samsung, HTC এবং Motorola -র মতো বড় বড় মোবাইল ফোন নির্মাতা কোম্পানি তাদের ফোনে অপারেটিং সিস্টেম হিসাবে Android ব্যবহার করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানি Android বেইজড tablet বের করছে যা খুব জনপ্রিয় হয়েছে। এপর্যন্ত কিছু Android camera ও রিলিজ হয়েছে।

3. কেন Android আজ সবার মুখে মুখে?
– সবসময়ই Android এর নতুন version গুলোতে চমৎকার আর অভাভনীয় সব ফিচার নিয়ে আসে। বিগত মাত্র কয়েক বছরে গুগল Android এর Eclair, Froyo, Gingerbread, Honeycomb, Ice Cream Sandwich ইত্যাদি ভার্সন রিলিজ করেছে। এর এক একটি ভার্সন ছিল প্রযুক্তির অ্গ্রগতির নতুন একটি ধাপ। অতি সম্প্রতি গুগল Android এর নতুন সংস্করণ Jelly Bean রিলিজ করেছে।

4. Android কি কোন সফট্ওয়্যার আছে?
– হ্যাঁ Google Play নামে Android এর বিশাল সফট্ওয়্যার মার্কেট আছে যেখানে থেকে আপনি বই, গান, মুভি, সফট্ওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন। সেখানে বিশ্বখ্যাত Amazon এর ও রয়েছে নিজস্ব app.

5. আমি কি Android এ Twitter and Facebook ব্যবহার করতে পারবো?
– অবশ্যই পারবেন। আজকাল যেসকল ফোন বের হচ্ছে তার সবই ইন্টারনেট ব্যবহার উপযোগী। Android অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে এমন যেকোন হ্যান্ডসেটেই আপনি Facebook and Twitter ব্যবহার করতে পারবেন।

6. আমি কি করে আমার Android এ সফট্ওয়্যার ডাউনলোড করতে পারব?
– দুটি উপায়ে আপনি আপনার Android এ সফট্ওয়্যার ডাউনলোড করতে পারবেন। প্রথমত Google Play এর মাধ্যমে, আপনি যখন প্রথমবার Android টি ওপেন করবেন তখনই Google Play স্ক্রিনে আসবে। সেখান থেকে পছন্দমতো app ডাউনলোড করতে পারবেন। এতে আপনার কোন কম্পিউটার প্রয়োজন হবে না। দ্বিতীয়ত কম্পিউটার ব্যবহার করে Google Play website এর মাধ্যমে, এক্ষেত্রে আপনার গুগল একাউন্টের মাধ্যমে log in করতে হবে।

 

7. আমার কোন ডাটা ক্যাবল নেই তাহলে কিভাবে কম্পিউটারের সাথে connect করব?
– Android Device গুলো cellular data অথবা Wi-Fi এর মাধ্যমে সরাসরি Google Play সার্ভার এর সাথে যুক্ত হতে পারে তাই ক্যাবল নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই।

8. কিভাবে আমি আমার Android Device এ ছবি ও ভিডিও স্টোর করতে পারবো?
– বেশ কয়েকটি সহজ ধাপে আপনি আপনার Android Device এ ছবি ও ভিডিও স্টোর করতে পারবেন। প্রথমত Dropbox account এবং Dropbox app ব্যবহার করে। সবকিছু Dropbox এ আপনার কম্পিউটার থেকে আপলোড করুন আর Android Device এ Dropbox এ log in করে এর সব ফাইল এক্সেস করুন। তার চেয়ে সহজ হলো ক্যাবল এর মাধ্যমে আপনার Android Device টি কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করুন এবং USB ‍Stoarage device হিসেবে অপশন সিলেক্ট করুন। তারপর drag and drop করে আপনার Android Device এ ছবি ও ভিডিও স্টোর করতে পারবেন।

9. iTunes এ আমার অনেক গান আছে আমি কি Android ব্যবহার করে সেগুলো শুনতে পারবো?
– হ্যাঁ doubleTwist নামে একটি software আছে যা হুবহু iTunes এর মতো কাজ করে। সফট্ওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। তারপর আপনার iTunes গানগুলো আপনার Android এ ট্রান্সফার করে নিন।

10. আমি কি আমার Android এ Angry Birds গেমটি খেলতে পারবো।
– হ্যাঁ এটি Android এর টপ ফ্রি গেম গুলোর মধ্যে একটি । Google Play থেকে Angry Birds Download করতে পারবেন।

11. Samsung এবং HTC Android phone মধ্যে পার্থক্য কি?
Google Android software টি নির্মাণ করেছে, Samsung আর HTC hardware নির্মাতা কোম্পানীগুলো সেই software টি তাদের ডিভাইসে install দিচ্ছে মাত্র। Hardware নির্মাতা কোম্পানীগুলো competition টিকে থাকার জন্য তাদের Android ডিভাইসগুলোতে পৃথক পৃথক skin, ফিচার ও ডিজাইনের বৈচিত্রতা আনছে।

12. আমি যদি গুগল Android এর Pure experience পেতে চাই তাহলে আমাকে কি করতে হবে?
– আপনি যদি গুগল Android এর pure experience পেতে চান তবে আপনাকে “Nexus” ডিভাইসটি কিনতে হবে, যেমন Nexus 7 tablet অথবা Galaxy Nexus phone. এই ডিভাইসগুলোতে কোন থার্ড-পার্টির সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয় না।

13. Home screens এবং App drawer এর মধ্যে পার্থক্য কি?
– আপনার Android এ installed সকল app গুলোকে app drawer এ খুঁজে পাবেন। Apple এর ডিভাইস গুলোতে সফট্ওয়্যারগুলো home screen এ থাকে কিন্তু Android device গুলোতে রয়েছে প্রায় 7টি home screen যেখানে আপনি আপনার পছন্দের app গুলোকে রাখতে পারবেন quick access এর জন্য। আর বাকিগুলো app drawer এ স্টোর করে রাখতে পারবেন।

14. Widgets কি?
– Widgets হলো Android এর অন্যতম একটি জনপ্রিয় feature. এগুলো home screen এ বিভিন্ন information দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন ফেসবুক, টুইটার এর স্ট্যাটাস পরিবর্তত ও বর্তমান অবস্থা দেখার জন্য । এই Widget গুলো ব্যাটারি সাশ্রয়ী কারন এগুলো ব্যবহার করার জন্য আপনাকে প্রতিবার সম্পূর্ন app টি খুলতে হয় না।

15. Android ব্যবহারের জন্য আমার কি কোন Google account এর প্রয়োজন আছে?
– হ্যাঁ, পূর্বেই বলেছি আপনাকে গুগল একাউন্টের মাধ্যমে Google Play তে লগইন করে আপনার পছন্দের app ডাউনলোড করতে হবে। আপনার পূর্বের যেকোন গুগল একাউন্ট যেমন জিমেইল একাউন্ট দিয়েও Android ব্যবহার করতে পারবেন।

16. Contacts ট্রান্সফারের সহজতম উপায় কি?
– আপনি সহজেই গুগলে আপনার contacts গুলো সেভ করতে পারবেন। তারপর আপনি যখন Android থেকে আপনার গুগল একাউন্টে লগইন করবে তখন সকল contacts automatically syn হয়ে যাবে। তাছাড়া আপনি SIM card এর মাধ্যমেও contacts কপি করতে পারেন।

নতুন ফোন কেনার সময় যা দেখবেন

নতুন ফোন কেনার সময় যা দেখবেন

নতুন ফোন কেনার সময় যা দেখবেন

*#92702689# এই কোডটি চাপলে দেখতে পাবেন ফোনের সিরিয়াল নাম্বার,কবে তৈরী করা হয়েছে অর্থাৎ ফোনটি লেটেস্ট কিনা,এর আগে কেউ ব্যবহার করলে ক্রয়ের তারিখ দেখাবে, ফোনটিকে রিপেয়ার করলে তার বিস্তারিত দেখাবে, যদি রিপেয়ার না করে থাকে তাহলে ০০০০ দেখাবে, ফোন থেকে কোন ডাটা ট্রান্সফার হয়েছে কিনা দেখাবে। 

আর এই তথ্যগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে হলে ফোনটি রিস্টার্ট দিতে হবে।

বর্তমান স্মার্ট ফোনগুলোতে কাজ করে কিনা জানিনা তবে নোকিয়ার পূর্বের হ্যান্ডসেট গুলোতে কাজ করে।

পানিতে ভেজা মোবাইল রক্ষা করুন

পানিতে ভেজা মোবাইল রক্ষা করুন

পানিতে ভেজা মোবাইল রক্ষা করুন

বর্ষাকালে আপনার মোবাইল ভিজে যাওয়া কোন কঠিন ব্যাপার না। আপনি কি কখনও আপনার শখের মোবাইল টি ভুল বশত পানিতে ফেলে দিয়েছেন? অথবা এর চেয়েও খারাপ… টয়লেটে?! গরমে অস্থির হয়ে পকেটে রেখেই বাথরুমে গোসল করতে শুরু করে দিয়েছেন? বা পকেটে রেখেই সাঁতার কেটেছেন? অথবা ভুল বশত মসজিদে অজুর স্থানে মোবাইলটি ফেলে দিয়েছেন? যেভাবেই মোবাইল ভিজুক না কেন, ভেজা মোবাইল মানেই আপনাকে টা পরিবর্তন করতে হবে। কিন্তু আপনি যদি দ্রুততার সাথে কিছু পদক্ষেপ নেন, হয়ত আপনার মোবাইল টি জানে বেঁচে জেতে পারে। নিম্নোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করুন এবং আপনার মোবাইল ভিজে গেলে একে বাঁচানোর চেষ্টা করুন।

১। মোবাইলটি যত দ্রুত সম্ভব পানি থেকে বের করে ফেলুন। মোবাইল এর প্লাস্টিক কভারটি মোটামুটি শক্ত হয়ে থাকে, কিন্তু এতে পানি ঢুকতে খুব বেশি সময় লাগে না, খুব বেশি হলে ২০ সেকেন্ড। মোবাইলটি তাড়াতাড়ি ধরে নিন। একে ভুলেও চালু করবেন না, কারণ এতে খুব সহজেই শর্টসার্কিট হতে পারে (যদি চালু থাকে, তবে তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দিন)। পানিতে গেলে এক শুকানো অপরিহার্য, কাজ করুক বা না করুক।

যদি পানি থিকে বের করতে দেরি করে ফেলেন, তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এতে মোবাইল এর মধ্যে সকল বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধের নিশ্চয়তা দেওয়া যায়।

২। মাথা ঠাণ্ডা রাখুন। আপনার ফোনটি যদি দ্রুত বেদ করে ফেলে, তবে হয়তবা তেমন ক্ষতি হয়নি। আর যদি দেরি হয়েও যায়, মনে হয় না যে আপনার মাথা গরম করে ফোনটিকে শুকাতে পারবেন। হাল ছেড়ে দেওয়ার আগে আরও অনেক কিছু করার আছে।

 

৩। মোবাইলের ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপের একটি। বিদ্যুৎ আর পানির মধ্যে কেমন বিক্রিয়া হচ্ছে সেটা না ভাবলেও চলবে, মদ্দা-কথা এরা দুজন কখনও এক সাথে থাকতে পারে না। মোবাইলের ভিতরে অনেক বিশেষ বিশেষ অংশ আপনি ক্ষতির হাত থিকে বাঁচাতে পারেন যদি আপনি এর শক্তির উৎস (ব্যাটারি) টিকে বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

৪। সিম কার্ডটি খুলে ফেলুন। এতে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী থাকতে পারে। অনেকের কাছে ফোনটির চেয়ে সিম কার্ডের ওই তথ্য গুলোর মূল্যই বেশি। যদিও সিম কার্ড খুব সহজে নষ্ট হয় না, তবে ফোনটি বাঁচাতে পরবর্তী কয়েকটি ধাপ হয়ত সিমের জন্যে সহায়ক হবে না। খুলে শুকনো করে এক পাশে রেখে দিন, যতক্ষণ আপনার ফোন ব্যবহার উপযোগী না হয়।

 

৫। মোবাইলে ব্যবহৃত অন্যান্য জিনিস গুলোও আলাদা করে দিন। যেমন: কভার, হোল্ডিং ইত্যাদি।

 

৬। মোবাইল ফোনটি ভালভাবে শুকান। এক ফোঁটা পানিও মারাত্মক হতে পারে ফোনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে প্রবেশ করে। তাই আপনাকে অবশ্যই দ্রুত এবং সতর্কতার সাথে শেষ বিন্দু পরিমাণ পানিও মুছে ফেলতে হবে।

 

দ্রষ্টব্য: হালকা ভাবে মোবাইল টি মুছবেন। অতিরিক্ত ঝাঁকালে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অংশে পানি ঢুকে যেখান এখনও পর্যন্ত পানি প্রবেশ করেনি। এক্ষেত্রে, হিতে বিপরীত হয়ে যাবে।

টিস্যু পেপার বা সুতির কাপড় ব্যবহার করুন। হালকা ভাবে প্রতিটি কোণা মুছে ফেলুন। ফোনের যেসব অংশে ছিদ্র বা গর্তের মত আছে (যেমন: কী-প্যাড), সেখানে টিস্যুর শুকনো অংশই ব্যবহার করুন। কারণ, ভাজ অংশের পানি ভিতরে চলে জাতে পারে।

ব্যাটারি খুলে অভ্যন্তরীণ অংশ মুছতে ভুলবেন না যেন।

৭। সম্ভব হলে ভ্যাকুম ক্লিনার ব্যবহার করুন। আপনার ফোনের বিভিন্ন অংশের মধ্যে থেকে একদম ক্ষুদ্র পানির বিন্দু টেনে বের করতে এর জবাব নেই। তাই, যদি বাসায় ভ্যকুম ক্লিনার থেকে থাকে তবে একে ব্যবহার করুন। ফোনটির প্রতিটি সম্ভাব্য অংশে এর ব্যবহার করুন। এতে আপনার ফোনটি অনেকাংশেই শুকিয়ে যাবে, কিন্তু এখনও এটি চালু করা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই, তাড়াহুড়ো করবেন না।

 

দ্রষ্টব্য: ভ্যকুম ক্লিনার এর পরিবর্তে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না (Cold Mode এও নয়)। এতে অনেক অংশের পানি ভিতরে ঢুকে যেতে পারে। আর যদি ড্রায়ার খুব গরম হয়, তবে আপনার ডিভাইস টির ক্ষতি হতে পারে। তাই ভুলেও, হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না।

৮। মোবাইলটি শুকাতে চাল ব্যবহার করুন। শুকনো চাল খুব ভাল কাজ করে থাকে। এর মধ্যে এক রাতের জন্য আপনার মোবাইল টি রেকে দিন। এতে, মোবাইল এ এক কণা পানিও বাকি থাকবে না।

 

দ্রষ্টব্য: ঘুমোতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় ফোনটি উল্টে দিন।

৯। চাল থেকে বের করার পরে শুকনো একটি তোয়ালেতে ফোনটি রাখুন। মনে রাখবেন, এই সব কিছুর উদ্দেশ্যই হচ্ছে ফোনটিকে পুরোপুরি ভাবে শুকানো। তাই ভেজা তোয়ালে বা অন্য কিছু ব্যবহার করে এতক্ষণের সকল মেহনত নষ্ট করে দিবেন না।

 

১০। সময় হয়েছে ফোনটি টেস্ট করার। আপনি যদি অন্তত ২৪ ঘণ্টা বা এর চাইতে বেশি সময় (সম্ভব হলে) অপেক্ষা করে উপরের ধাপগুলো পূর্ণ করে থাকেন, তাহলে এখন ফোনটি চালু করতে পারেন। ভালভাবে পরিষ্কার করে ব্যাটারিটি লাগান এবং ফোনটি চালু করুন।

 

টিপস: যদি ফোনটি এখনও কাজ না করে, একে ব্যাটারি ছাড়া চার্জারে লাগিয়ে দেখতে পারেন। যদি দেখেন কাজ হচ্ছে, তাহলে আপনাকে একটি নতুন ব্যাটারি কিনতে হবে।

আর যদি টা না হয়, তবে সময় হয়েছে এটিকে একজন প্রফেশনাল মেকানিক এর কাছে নেওয়ার। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল হবে যদি আপনি ফোনটিকে ফোনের ব্র্যান্ড অনুযায়ী ডিলারের কাছে বা সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান। যেমন: নকিয়ার জন্য নকিয়া কেয়ার সেন্টার। তাদের কাচ থেকে পানিতে পড়ার বিষয়টি লুকনো খুব ভাল আইডিয়া হবে না। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে মোবাইল ভিজলে একে বিশেষ ভাবেই ঠিক করতে হবে, নতুবা সার্ভিস কোন কাজে দিবে না।

১১। শুকানোর পরেও যদি ফোনটি চালু না হয়, আপনি একে পুরোপুরি ভাবে খুলতে পারেন (যদি আপনার প্রাথমিক ধারণা থেকে থাকে)। এর কেসিং এবং অন্যান্য সকল অংশ সাবধানতার সাথে খুলে টিস্যু পেপার দিয়ে মুছুন। আপনি আবার ভ্যকুম ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন যাতে কোন ঢিল অংশ জেন এর ভেতরে চলে না যায়। আর আপনি যদি ফোনটি খুলতে সাহস না পান, তবে আপনার কোন বন্ধু বা পরিবারের অন্য কার কাছে সাহায্য চাইতে দ্বিধা বধ করবেন না। তেমনটি সম্ভব না হলে, প্রফেশনাল ব্যক্তির সাহায্য নিন।

 

টিপস: যদি দেখে ফোন চালু হয়েও উল্টো পাল্টা আচরণ করছে, তাহলে বুঝবেন ভিতরে আপনি কিছু পানি মিস করে দিয়েছেন। এক্ষেত্রে আবার খুলে ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করে দেখুন। অথবা, মোবাইল ফোনের প্রফেশনালের সাহায্যে এমন ক্রুটি খুবই সহজে দূর করতে পারেন।

১২। আপনি যদি অ্যাপলের আইফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে আপনি আপনার স্মার্টফোনটিকে পেপার তাওয়াল দিয়ে মুছে খুব সহজেই ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারেন।এছাড়া আপনি আপনার আইফোনের জন্য ওয়াটারপ্রুফ কভার কিনতে পারেন যদি আপনার আইফোন 4বা 4S থাকে। আর যদি আইফোন 3GS বা পূর্বের ভার্সন থাকে, কভারের সুবিধাটা আপনার কপালে নেই=(

 

টিপস:

মোবাইল ফোনের সকল অংশ খুলে শুকনো জায়গায় রাখুন।মোবাইলটি যদি একই সময় ভাজে এবং চালু থাকে, এটা মারাত্মক হয়ে থাকে। যদি আপনি ভিতরের পার্টস জ্বলে যাওয়ার আগেই এটিকে বন্ধ করতে পারেন, আপনার মোবাইল হয়ত বেঁচে যাবে।অতিরিক্ত তাপমাত্রা মোবাইলের জন্য ক্ষতিকারক। ধৈর্যের সাথে ফোনটি শুকান। অধৈর্য হয়ে অতিরিক্ত তাপ প্রয়োগ করবেন না। মনে রাখবেন, মোবাইল ফোন ভেজে ফেলা আপনার উদ্দেশ্য নয়।ফোনেটির ভিতরের কিছু অংশে আপনি বিশেষ ভাবে তাপ দিতে পারেন। যেমন: টেবিল ল্যাম্প বা হিটার এর সাহায্যে।আমি এই টিপসগুলো বর্ষাকালের আবহাওয়া এবং এর সমস্যাকে মাথায় রেখে করেছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনার পক্ষে সম্ভব নয় বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাওয়া কোন মোবাইল সার্ভিস করতে দোকানে নিয়ে যাওয়া যখন বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে বা অন্য কোন জরুরি অবস্থায়। হাত পা গুটিয়ে বসে না থেকে উপরের ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি নিজেই মোবাইল টিকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারেন।

সতর্কতা:

ফোনটিকে ভেজা অবস্থায় ফেলে রাখবেন না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুকাতে শুরু করুন।ফোনটি কোনভাবেই শুকানোর আগে চালু করার চেষ্টা করবেন না। এতে শর্টসার্কিট হয়ে পুরো ফোনটিই বাতিল হয়ে যাবে। আমি একবার এভাবে চালু করায় ফোনের ডিসপ্লে পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। যদিও আমি সারাদিন শুকিয়ে ছিলাম।মোবাইল ফোন শুকাতে ওভেন ব্যবহার করতে যাবেন। যেমনটি আগে বললাম, আপনি মোবাইলটি ভাজতে বা গলাতে এসব করছেন না।ব্যাটারিটি অতিরিক্ত তাপ থেকে দূরে রাখুন। খুব সহজেই আগুন লেগে যেতে পারে।আজকালকার অধিকাংশ আধুনিক মোবাইল ফোনের ব্যাটারির নিচেই একটি “liquid damage indicator sticker”থাকে। যা পানি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে রঙ পরিবর্তন করে (যেমন: লাল থেকে গোলাপি হয়ে যায়)। যাতে করে মোবাইল টেকনিশিয়ানরা বুঝতে পারেন আপনি কি ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমার জানামতে, কোন ওয়ারেন্টই “water damage”সাপোর্ট করে না। এজন্য যদি মিথ্যা বলে ফ্রি সার্ভিস করাতে চান, মফিজ হয়ে যাবেনতৎক্ষণাৎ পানি থেকে বের করে ব্যাটারি খুলে ফেললে, আপনার মোবাইল টি বাঁচার সবচেয়ে বেশি আশা থাকবে।