Showing posts with label জনপ্রিয় সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label জনপ্রিয় সংবাদ. Show all posts

Monday, 8 February 2016

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক রাখার বিষয়ে চিন্তা করা হবে : নাসিম

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক রাখার বিষয়ে চিন্তা করা হবে : নাসিম

পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক রাখার বিষয়ে চিন্তা করা হবে : নাসিম

ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ (বাসস) : স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, পাকিস্তান দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ বন্ধ না করলে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখার বিষয়ে চিন্তা করা হবে।
কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র নাসিম বলেন, দেশে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নব উত্থান হয়েছে তখন যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের বক্তব্য দেশের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়।
১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার না করে পাকিস্তান শিমলা চুক্তি লংঘন করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সার্কের আলোচনায় পাকিস্তানের এ ধৃষ্টতাপূর্ণ আচারণকে তুলে ধরতে হবে।
মোহাম্মদ নাসিম আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
নাসিম বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে দৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। 
নাসিম বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের দৃষ্টতাপূর্ণ আচারণের জন্য বিকেল চারটায় রাজধানীতে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হবে। এতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের এবং বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মী অংশ গ্রহন করবে। এ কর্মসূচী পরবর্তীতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও পালন করা হবে।
নাসিম মহান মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু জেনারেল জ্যাকব ও জেনারেল কৃষ্ণার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়া, ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, জাতীয় পার্টি (জেপি)’র মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য শিরিন আখতার এমপিসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মো. নাসিম বৈঠক পরিচালনা করেন। 
সমাজের বিত্তবানদের যাকাত প্রদানে এগিয়ে আসার আহবান

সমাজের বিত্তবানদের যাকাত প্রদানে এগিয়ে আসার আহবান

সমাজের বিত্তবানদের যাকাত প্রদানে এগিয়ে আসার আহবান

ঢাকা, ১৯ জুলাই, ২০১৪ (বাসস): দারিদ্র বিমোচন এবং সম্পদ বৈষম্য কমাতে সমাজের সব বিত্তবানরা যাকাত প্রদানে এগিয়ে আসতে পারে। এতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি তরান্বিত হবে।
শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) মিলনায়তনে ‘যাকাতের সম্ভাবনাময় সম্প্রসারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ সব কথা বলেন।
ডিসিসিআই এবং সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম) যৌথভাবে সেমিনারের আয়োজন করে।
ডিসিসিআই ফাউন্ডেশন এবং আনোয়ার গ্র“প অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 
অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান বলেন, দারিদ্র বিমোচন, সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে যাকাত ফান্ডের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি যাকাত কার্যক্রম ও যাকাত বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নিকট আত্বীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মাঝে যাকাত বিতরনের উপর জোর দেন। 
তিনি বলেন, যাকাতের অর্থ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বন্টন করা সম্ভব হলে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নত করা সম্ভব। 
আনোয়ার হোসেন বলেন, সমাজের দারিদ্র বিমোচনের জন্য আল্লাহ্-তালা ধনীদের উপর যাকাত ফরজ করেছেন। তিনি পরিকল্পিত উপায়ে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সমাজ থেকে দারিদ্র বিমোচনের জন্য বিত্তবানদের যাকাত প্রদানের আহবান জানান। 
সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম)-এর সিইও ড. মোঃ আইয়ুব মিয়া দারিদ্র বিমোচনে যাকাতকে পরিকল্পিত ভাবে ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করেন। 
তিনি জানান, সিজেডএম ইতোমধ্যে সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, জরুরী চিকিৎসা ও মানবিক খাতে সহায়তা প্রদান, গরীব বেকারদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সিজেডএম বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা করে থাকে। 
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনির্ভাসিটির এসোসিয়েট প্রফেসর মাওলানা মোখতার হোসেন । 
ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি ওসামা তাসীর, সহ-সভাপতি খন্দকার শহীদুল ইসলাম, পরিচালক মুক্তার হোসেন চৌধুরী, হোসেন এ সিকদার, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, মোঃ শোয়েব চৌধুরী, এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, কে জি করিম, প্রাক্তন সহ-সভাপতি আবসার করিম চৌধুরী, এম আবু হোরায়রা প্রমূখ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

Thursday, 3 December 2015

মাত্র ১ টাকায় ফোন কল করুন ২ ঘণ্টা ধরে!

মাত্র ১ টাকায় ফোন কল করুন ২ ঘণ্টা ধরে!

ওয়েব ডেস্ক: আপনি কি কথা বলতে খুবই ভালবাসেন?বিশেষ করে মোবাইল ফোনে কথা বলতে খুবই পছন্দ করেন? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে খুবই ভাল খবর। কারণ, এয়ারসেল আপনাকে মাত্র এক টাকার বিনিময়ে কথা বলতে দিচ্ছে পুরো ২ ঘণ্টা!
এই বিশেষ সুবিধাটির নাম তারা দিয়েছে গুড মর্নিং প্যাক। এই প্যাকের সুবিধা হল, আপনি রোজ সকালে ৬ টা থেকে ৮ টার মধ্যে কল করতে পারবেন মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে!
প্রথম কলটি তো অবশ্যই আপনি মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে করবেনই। ওই ৬ টা থেকে ৮ টার মধ্যে অন্য কলগুলিও হয়ে যাবে একেবারে ফ্রি।
দেশের ১৩টি সার্ভিস এরিয়ার মধ্যে এয়ারসেলের গ্রাহকরা এই সুবিধাটি পাবেন।

Thursday, 26 November 2015

রাজনীতিতে আসছেন শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ও ছেলে!

রাজনীতিতে আসছেন শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ও ছেলে!

রাজনীতিতে আসছেন শহীদ সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ও ছেলে!

মিথ্যা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর বিমর্ষ ছিল তার পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী মানসিকভাবে বেশি ভেঙে পড়েন। কিন্তু গত শনিবার সাকার দাফনের পর তারা রাউজান ছেড়ে চলে আসেন স্বাধীনতা যুদ্ধে চট্টগ্রামের সাকার সেই রাজকীয় বাড়ি 'গুডস হিলে'। গত তিন দিন ধরেই সাকার স্ত্রী-সন্তানরা সেখানেই অবস্থান করছেন।

চট্টগ্রামে সাকা অনুসারীরা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ও পরে নীরব থেকে জানাজায় অংশগ্রহণ না করলেও তারা এখন প্রতিদিন 'গুডস হিলে' ভিড় জমাচ্ছেন। তারা সাকার পরিবারকে সান্ত¡না দিতে আসছেন। এদের মধ্যে অনেকে সাকার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে স্ত্রী-সন্তানকে রাজনীতিতে আসতে উদ্বুদ্ধ করছেন। এ ব্যাপারে গুডস হিলে আসা যাওয়া করছে সাকা চৌধুরীর পরিবারের ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের সূত্রে জানা গেছে, সাকার ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর মধ্যে তার বাবার মতো রাজনীতি করার মানসিকতা রয়েছে।

এছাড়াও তার স্ত্রীও রাজনীতিতে আসতে পারেন। কারণ সাকা চৌধুরী মৃত্যুর আগে তাদের দু’জনের কী করণীয় তা বলে গিয়েছেন। এসব ঘনিষ্ঠজনেরা আরো জানান তারা রাজনীতি পরিবারের সদস্য হিসেবে সাকার উত্তরসূরি হয়ে উত্তর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় তাদের প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করবেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তারা রাজনীতিতে সক্রিয় হতে যাচ্ছেন! এছাড়াও সাকার পরিবারের সদস্যরা শিগগির খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তাদের ভবিষ্যৎ করণীয় কী হবে তা নির্ধারণ করবে বলে এই ঘনিষ্ঠরা জানান।

জানা গেছে, সাকা চৌধুরীর ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, বড় ছেলে ফাইয়াজ কাদের চৌধুরী, তাদের মা ফারহাত কাদের চৌধুরী। বড় ছেলে ফাইয়াজ কাদের চৌধুরী শান্তশিষ্ট হলেও ছোট ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী হয়েছেন বাবার মতো। সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় টিভি চ্যানেলের পর্দায় হুম্মাম কাদের চৌধুরীর হুঙ্কার শুনে অনেকে তা বুঝতে পেরেছিল। অন্যদিকে সাকার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী স্বামীর মৃত্যুতে হতবিহ্বল হলেও তেমন একটা ভেঙে পড়েননি। শোনা যায়, সাকার মৃত্যুর পর তার পরিবারের কী করণীয় হতে পারে সাকা তা বলে গিয়েছেন স্ত্রী ও তার ছোট ছেলে হুম্মাম কাদেরকে। এছাড়াও সন্তানদের বলে দেয়া হয়েছে তার মায়ের কথার বাইরে না যাওয়ার জন্য। সাকা মৃত্যুর আগে তার স্ত্রীকে ও তার ছোট ছেলেকে তার যোগ্য উত্তরসূরি মনে করতেন। আগামীতে উত্তর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও রাউজানে পরিবারের প্রভাব ধরে রাখতে এ দু'জনকেই দায়িত্ব দিয়ে যান সাকা।

ভবিষ্যতে তারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে তার প্রভাব-প্রতিপত্তি ধরে রাখার নির্দেশনাও দিয়ে যান স্ত্রী-সন্তানকে। সাকার এসব আদেশ পালন করার মানসিকতা রয়েছে তাদের। এমনটিই জানালেন সাকার ঘনিষ্ঠরা।

Monday, 23 November 2015

রাজাকার কে? আওয়ামী লীগের শীর্ষ ২৩ রাজাকারের তালিকা

রাজাকার কে? আওয়ামী লীগের শীর্ষ ২৩ রাজাকারের তালিকা

আওয়ামী লীগের শীর্ষ ২৩ রাজাকারের তালিকা
.............................................................
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে, এমন অভিযোগে বিরোধীজোট বিএনপি ও জামায়াতরে এক ডজন নেতার বিচার করছে। আওয়ামী লীগ সরকার। তারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের কথিত স্বপক্ষ শক্তি দাবি করে এ বিচার করলেও তাদের দলে থাকা রাজাকারদের ব্যাপারে একেবারে নিরব। এদলটিতেও রয়েছে, কুখ্যাত রাজাকার, আল বদর, আল শামস, গণহত্যকারী, গণধর্ষণকারী, অগ্নিসংযোগাকরীসহ অসংখ্য স্বাধীনতাবিরোধী। কিন্তু তারা রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাইরে। তবে আওয়ামী লীগের নেতারা বিভিন্ন সময় বক্তৃতায় বলেছেন, আওয়ামী লীগে রাজাকার থাকলে দেখিয়ে দেন-আমরা তাদের বিচার করব। আমাদের অনুসন্ধানে নিচে ২৩ আওয়ামী রাজাকারের তালিকা তুলে ধরা হলো।

আওয়ামী লীগের এই ২৩ জন যুদ্ধাপরাধী বা তাদের পরিবার কোন না কোনভাবে ৭১ সালে পাকিস্তান সরকার ও যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন। মক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের এসব নেতা ঘৃণিত ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতেতে সক্রিয় থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বনে গিয়েছে। ১৯৭১ সালে মক্তিযোদ্বাদের হত্যাসহ নানা ধরনের মানবতবিরোধী অপরাধের সঙ্গে তারা যুক্ত ছিলেন তারা। নিচে আওয়ামী লীগের এসব যুদ্বাপরাধীর নাম ও তাদের কর্মকাণ্ডের কিছু তথ্য দেয়া হলো:
১. অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম:
ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম রাজাকার পরিবারের সদস্য। তার বড় ভাই হাকিম হাফেজ আজিজুল ইসলাম নেজামে ইসলামি পার্টির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ছিলেন। পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের শায়েস্তা করার জন্য তার নেতৃত্বেই ঢাকায় প্রথম শান্তি কমিটি গঠন হয়। একই সঙ্গে তিনি রাজাকার, আল বদর ও আল শাসম বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসই স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ড চালানোর পাশাপাশি মু্ক্তিযোদ্ধাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বড় ভাইকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তার রাজাকার ভাইয়ের মালিকাধীন প্রিন্টিং প্রেসে তিনি ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। ১৯৬৯ সালে এ দেশে পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন জোরদার হলে নেজামের ইসলাম পার্টির পক্ষ থেকে পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার প্রচারণা চালানোর জন্য ‘নেজামে ইসলাম’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। হাকিম অজিজুল ইসলাম এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। শেখ মজিবুর রহামনসহ পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনকারীদের নিয়ে তিনি এ পত্রিকায় ‘ইবলিশের দিনলিপি’ নামে প্রতি সপ্তাহে বিশেষ সম্পাদকীয় লিখেন। অ্যাডভোকেট কামরুল ১৯৯৪ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতেতে সক্রিয় হন। এর মধ্যে দিয়ে রাজাকার
পরিবারের গন্ধ হতে মুক্ত হতে চান তিনি। তার ব্যাপারে ‌‌'মুক্তিযুদ্ধে ইসলামী দল' শীর্ষক বইয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে।

২. লে.কর্ণেল (অব) ফারুক খান:
পর্যটন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানীদের পক্ষে দিনাজপুরে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পাকিস্তানী সেনাবাহীনীর পক্ষে প্রথম অপারেশন চালান এবং কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করেন। সুত্র: “দিনাজপুরের মক্তিযুদ্ধ” বই।

৩. ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন:
ফরিদপুর– ৩ আসনের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। তিনি শান্তি বাহিনী গঠন করে মুক্তিযোদ্বাদের হত্যার জন্য হানাদার বাহিনীদের প্ররোচিত করেন। “ দৃশ্যপট একাত্তর: একুশ শতকের রাজনীতি ও আওয়ামী লীগ” বইয়ের ৪৫ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন শান্তি কমিটির জাদরেল নেতা ছিলেন। তার পিতা নুরুল ইসলাম নুরু মিয়া ফরিদপুরের কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন।

৪. অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন:
ময়মনসিংহ ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ও
শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন বলে গত বছরের ৪ এপ্রিল ট্রাইবুনাল ওয়ার ক্রাইম ফাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহবায়ক ডা, এম এ হাসানের দেয়া যুদ্ধাপরাধের তালিকায় (ক্রমিক নং-৭৩) উল্লেখ করা হয়েছে। যা গত ২২ এপ্রিল দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ দিকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্বে গত ৬ এপ্রিল ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও জোড়বাড়িয়া গ্রামের ওয়াহেদ আলী মণ্ডলের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে ময়মনসিংয়ের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

৫. সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী:
আওয়মী লীগের সেকেন্ড ইন কমান্ড সংসদ উপনেতা ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পশ্চ

ফেসবুক বন্ধের কারণেই তারানা হালিমের প্রোফাইল ব্লকড!

ফেসবুক বন্ধের কারণেই তারানা হালিমের প্রোফাইল ব্লকড!

বুধবার থেকে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আজ শুক্রবার টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ফেসবুক প্রোফাইল ব্লক করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে ফেসবুকে বেশ কিছু স্ক্রিনশর্ট ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।  সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার কারণে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ফেসবুক পেজ ও প্রোফাইলে স্প্যাম রিপোর্ট করতে শুরু করেছেন কেউ কেউ।

তবে ফেসবুক বন্ধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন তারানা হালিম। তিনি নিজে এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রায় প্রত্যেক দিন। এ জন্য ফেসবুকে তিনি সবচেয়ে বড় টার্গেটে পরিণত হয়েছেন।

এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার তারানা হালিমের ফেসবুক প্রোফাইল ব্লক করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ফেসবুকে প্রকাশিত স্ক্রিনশর্টে বলা হয়েছে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তারানা হালিমের প্রোফাইল ব্লক হওয়ার খবর তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হবে তবে কে বা কারা তাঁর নামে রিপোর্ট করেছে তা প্রকাশ করা হবে না।

উল্লেখ্য, তারানা হালিমের ফেসবুক প্রোফাইল ব্লকড করা হলেও তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এখনও চালু রয়েছে।

Sunday, 22 November 2015

সাকা-মুজাহিদ আসলেই কি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল!

সাকা-মুজাহিদ আসলেই কি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল!

রাষ্ট্রপতির নিকট ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেছেন কিনা তা স্পষ্ট করেননি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা। প্রশ্ন উঠেছে যদি ক্ষমা চেয়েও থাকেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কোন বক্তব্য নেই কেন?

তিনি বলেছেন, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে সাধারণ ক্ষমা করার যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, সাজাপ্রাপ্তরা সেই সুযোগ নিয়েছেন। তারা ক্ষমা প্রার্থনা না করলে, তাদের আবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট পাঠানোর জন্য বিবেচনা করা হতো না।

কারণ, তাদের সামনে এই ক্ষমা চেয়ে প্রাণভিক্ষা চাওয়া ছাড়া আর কোনো আইনি সুযোগ নেই। তাদের এই আবেদন ক্ষমা চেয়ে আবেদন বলে গণ্য হবে।

রাষ্ট্রপতির নিকট আবেদনে কি লিখা হয়েছে সেই বিষয়ে খোলাসা না করে আইনমন্ত্রী বলেন, আবেদনটি করা হয়েছে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর। তাই এ ব্যপারে আমি কোনো কথা বলতে পারি না। আমরা সেই আবেদনের আইনি দিক পরীক্ষা করে মতামত দিয়েছি। কি মতামত দিয়েছি তাও আমি সবাইকে বলতে পারি না। কারণ, আমার মতামত দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতি বরাবর।

তিনি বলেন, আমরা আবেদনের আইনি দিক পরীক্ষা করে আমাদের মতামতসহ রাষ্ট্রপতির নিকট পাঠিয়ে দিয়েছি।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে যে আবেদন রাষ্ট্রপতির নিকট করার চেষ্টা করা হয়েছিলো সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই আবেদন শুধু একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য। কারণ, এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তাদের এই কথাগুলো তারা এর আগে তিনটি আদালতে উপস্থাপন করেছিলেন।

এদিকে আজ দুপুরে মুজাহিদের পরিবারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় তার ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়।

রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে সালাহউদ্দিন কাদেরের সিদ্ধান্ত কী-জানতে চাইলে তার স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা এই বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। এটা উনার ব্যাপার। আমরা যখন তাকে জিজ্ঞসা করেছি, তখন তিনি বলেছেন, ‘আইনজীবীর কাছে বলব’।

সালাউদ্দিন কাদেরের ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, বাবা ক্ষমা চেয়ে মার্সি পিটিশন চাইবেন? এটা আমি তার সঙ্গে কথা না বলে কিছু বলতে পারব না।

হুম্মাম বলেন, আনিসুল হক ভাল করেই জানেন, বাবা কী বলতে পারেন। আমার বাবা কী ধরনের লোক, তা সবাই জানে।

এরআগে সংবাদ সম্মেলনে হুম্মাম বলেন, ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন তার বাবা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে তার সাক্ষাতের সুযোগ হলেই তা জানা যাবে।

Friday, 20 November 2015

ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে সরকার

ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে সরকার

সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) আজ বাংলাদেশ টেলিকমিনিউকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও ম্যাংগো টেলি সার্ভিসেসকে চিঠি দিয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফেসবুক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানই ইন্টারনেট গেটওয়ে। বিটিসিএল, ম্যাংগো ও ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সংগঠন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানতে চাইলে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে—এমন কিছু কার্টুন ও ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করা হচ্ছিল। এসব কার্টুন যাতে প্রকাশ না হতে পারে, সে কারণে বিটিআরসি এর শাখা লিংকগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তা করতে না পারায় সরাসরি ফেসবুকই সাময়িক বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবার কবে নাগাদ ফেসবুক চালু করা হবে, জানতে চাইলে জিয়া আহমেদ বলেন, শাখা লিংকগুলো বন্ধ করার পর ফেসবুক খুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ফেসবুক চালু করা হয়। বর্তমানে সারা বিশ্বের এর ব্যবহারকারী ৪০ কোটির বেশি। বাংলাদেশে নয় লাখ লোক ফেসবুক ব্যবহার করে।

Tuesday, 17 November 2015

নারীর প্রতি অবমাননা মানহানি ও জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের সঙ্গে চুক্তি

নারীর প্রতি অবমাননা মানহানি ও জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের সঙ্গে চুক্তি

নারীর প্রতি অবমাননা মানহানি ও জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকের সঙ্গে চুক্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বিটিআরসি ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এ কথা বলেন তিনি।

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নারীর প্রতি হয়রানি রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সঙ্গে বিগত বিএনপি-জামাত সরকারের চুক্তি করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, চুক্তির প্রস্তাব পেয়েও তারা করেনি আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি—তাদের ডেকে এনে চুক্তির বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে।

ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সুযোগটি আবার গ্রহণ করতে চাই— এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফেসবুকের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনে ডেকে এনে কিংবা চিঠির মাধ্যমে বা অনুরোধের মাধ্যমে চুক্তি করার পথ যেন প্রশস্ত হয় সে বিষয়ে অবশ্যই দৃষ্টি দিতে হবে।

এজন্য বিটিআরসিকে শক্তিশালী করার সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের প্রত্যেকটি বিভাগের কর্মকর্তাদের দুর্নীতিতে না জড়াতে আহ্বান জানান তিনি।

এসময় মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগগুলোতে দুর্নীতি বন্ধ ও কাজে গতিশীলতা আনতে অযোগ্য কর্মকর্তাদের প্রয়োজনে বদলি করা হবে বলেও জানান তারানা হালিম।

দুর্নীতির বিষয়ে ভবিষ্যতে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

চম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে চার জনের ফাঁসি

চম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে চার জনের ফাঁসি

ফরিদপুরে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা চম্পাকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে চার জনের ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহমান সরদার এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শামীম মণ্ডল (২৪), বাবুল হোসেন ওরফে রাজিব হোসেন ওরফে বাবু হোসেন মাতুব্বর (২২), জাহিদুল হাসান ওরফে জাহিদ সর্দার (২৪) ও আকাশ মণ্ডল (২৪)। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে আকাশ ও বাবুল হোসেন পলাতক রয়েছে।

এছাড়া নারী শিশু নির্যাতন আইনের ৯ এর ৩/৩০ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা; অনাদায়ে আরো তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মৌসুমী নামের এক আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।

চম্পা ফরিদপুর সদর উপজেলার কাশিমাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার মেয়ে এবং পুরদিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

গত ২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর নিজ বাড়ির পাশে সোহরাব শেখের মেহগনি বাগান থেকে চম্পার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ১৫ ডিসেম্বর চম্পার ভাই হাসিবুল ইসলাম বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

গত ২০১৩ সালের ২০ মে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যা মর্মে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম।

Monday, 16 November 2015

প্রোফাইল পিকচার রঙ্গিন করছেন ,তাহলে জেনে নিন

প্রোফাইল পিকচার রঙ্গিন করছেন ,তাহলে জেনে নিন

প্রোফাইল পিকচার রঙ্গিন করছেন ,তাহলে জেনে নিনঃ =========================== যারা ফেইসবুকে প্রোফাইল পিকচার রঙ্গিন করছেন ,তারা মূলতঃ ফ্রান্সের রাজধানীতে গত শুক্রবার হামলায় নিহত মানুষের জন্য শোক প্রকাশ করছেন । কিন্তু আসলেই কি আমাদের এসব নিহত মানুষের জন্য শোক প্রকাশ করা উচিত! আর রঙ্গিন কালারটি হচ্ছে ফ্রান্সের পতাকা ।আমরা না জেনেই এটি নিজের প্রোফাইলের ছবিকে রঙ্গিন করছি । এখন আমরা একটু মুসলমানদের সাথে ফ্রান্সের আচরন কেমন ছিল জেনে নেই। এই সেই ফ্রান্স যারা ১৮৩০ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত পশ্চিম আফ্রিকায় নিজের উপনিবেশ টিকিয়ে রাখার জন্য ১০ মিলিয়ন মুসলমান ভাইকে হত্যা করছিল ।সেই যুদ্ধের সময় যারা মুসলিমদের নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদেরকে শিরচ্ছেদ করা হয়েছিল,বর্তমানে তাদের অনেকের মাথা ফ্রান্সের জাদুঘরে সংরিক্ষত আছে । ১৯১২ সালে ফ্রান্স মরক্কোয় মুসলিমদের উপর গণহত্যা চালিয়ে সেখানে লক্ষ লক্ষ মুসলমান ভাইকে হত্যা করছিল। ১৯8৫ সালে ব্রিটেনের সাথে মিলে ইহুদি রাষ্ট প্রতিষ্ঠার জন্য টানা চার বছর আরব রাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ করে ইসরায়েল নামক বিষ ফোঁড়ার সৃষ্টি করে । ১৯৬০ সালে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের কাছে পারমাণবিক বোমা তৈরির জন্য তথ্য ও পরমাণু পাচার করে ইসরায়েলকে পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। যার ফলে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তনে আমার লক্ষ লক্ষ মুসলমান ভাইকে জীবন দিতে হয়েছে । ২০০১ সালে এক ভিত্তিহীন অভিযোগে আফগানিস্তানে আমারিকার সাথে হামলা শুরু করে ,এবং এখন পর্যন্ত সেখানে লক্ষ লক্ষ নিরীহ মুসলমানকে হত্যা করছে । ২০০৩ সালে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে সড়ানোর জন্য আমারিকার সাথে হামলা শুরু করে ,এবং সেখানে আমার লক্ষ লক্ষ মুসলমান ভাইকে হত্যা করেছে। ২০১১ সালে সিরিয়ায় গোলযোগ সৃষ্টি হওয়ার পর তারাই সর্ব প্রথম বিদ্রোহীদের অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ বাঁধায় ।২০১৩ সালে ফ্রান্সের শার্লী এব্দো পত্রিকায় হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে বেঙ্গ করে কার্টুন বের করে । ২০১৪ সালে সিরিয়া ও ইরাকে বিমান হামলা শুরু করে ,এবং এখন পর্যন্ত সেখানে প্রতিনিয়ত আমার শত শত মুসলমান ভাইকে হত্যা করছে । তাই এত লক্ষ লক্ষ লাশের ভিড়ে ১৫০ জন লাশ কিছুইনা । তাই যারাই প্রতিশোধ নেয়ার জন্য ফ্রান্সে হামলা করেছে ,তারা ভুল করেছে বলে আমার মনে হয়না । এর পরও যদি আপনি আপনার প্রোফাইল পিকচার ফ্রান্সের পতাকার রঙ দিয়ে রঙ্গিন করেন ,তাহলে আপনি লক্ষ লক্ষ মুসলমান ভাইয়ের রক্তের সাথে বেইমানি করলেন ।