Showing posts with label Entertainment. Show all posts
Showing posts with label Entertainment. Show all posts

Wednesday, 19 September 2018

গজল মা | ও বাবা  তু্মি কি সিহরে দ্বাড়ীয়ে | শুধু ছেলেদের্ জন্য | বাবাকে নিয়ে এই প্রথম চেষ্ঠ গজল 2018

গজল মা | ও বাবা তু্মি কি সিহরে দ্বাড়ীয়ে | শুধু ছেলেদের্ জন্য | বাবাকে নিয়ে এই প্রথম চেষ্ঠ গজল 2018









গজল মা | ও বাবা তু্মি কি সিহরে দ্বাড়ীয়ে | শুধু ছেলেদের্ জন্য | বাবাকে নিয়ে এই প্রথম চেষ্ঠ গজল 2018 | মা গজল কলরব 2018 গজল মা,গজল মা ও মা,কলরব গজল,gojol,বাংলা গজল বাবাকে নিয়ে,কলরব,বাবা,গজল বাংলা 2018 নতুন,ও বাবা,বাবাকে নিয়ে গান,বাবাকে নিয়ে গজল,bangla গজল ২০১৮
,ma baba gojol,gojol
কলরব,বাবা নিয়ে গজল,গজল,গজল 2018,গজল গজল,গজল কলরব,গজল নতুন ২০১৮,গজল গান,bangla new গজল,bangla new গজল 2018,কলরব শিল্পীগোষ্ঠী,কলরবের গজল,কলরব ২০১৮,কলরব 2018,কলরবের নতুন গান,কলরব নিউ গজল,কলরব new,কলরব new song,আবু রায়হান,আবু রায়হানের নতুন গজল,মাহফিল,মা গান,মা নিয়ে গান,baba


Monday, 17 September 2018

কলিজা ঠান্ডা করে নিন | আবেগী কন্ঠে কোরআন তেলাওয়াত | আব্দুর রহমান আল ওসি | কুরআন তেলাওয়াত বাংলা Quran

কলিজা ঠান্ডা করে নিন | আবেগী কন্ঠে কোরআন তেলাওয়াত | আব্দুর রহমান আল ওসি | কুরআন তেলাওয়াত বাংলা Quran








কলিজা ঠান্ডা করে নিন | আবেগী কন্ঠে কোরআন তেলাওয়াত | আব্দুর রহমান আল ওসি | কুরআন তেলাওয়াত বাংলা Quran কোরআন তেলাওয়াত কুরআন,কোরআন তেলাওয়াত বাংলা অনুবাদ


সহ,,quran tilawat bangla,quran recitation,quran,bangla quran tilawat,
,কোরআন তেলাওয়াত ৩০ পারা,কুরআন তেলাওয়াত,কুরআন শিক্ষা,সুরা ইয়াসিন,সুরা মুলক,সূরা,সুরা ইয়াসিন বাংলা অর্থসহ,islamic gojol,ওয়াজ মাহফিল,ওয়াজ,গজল,গজল 2018,quran tilawat bangla,quran recitation,quran,bangla quran tilawat,বাংলা কোরআন তেলাওয়াত,বাংলা কোরআন শরীফ ৩০ পারা,কোরআন তেলাওয়াত বাংলা তরজমা,তরজমা সহ কোরআন তেলাওয়াত,তেলাওয়াতে কোরআন,recitation of quran,আব্দুর রহমান আল ওসি,gojol

Part-02 কালেমা নছিবে মোর দিয়ো  || Kalarab song 2018 || কলরব শিল্পীগোষ্ঠী 2018 ||

Part-02 কালেমা নছিবে মোর দিয়ো || Kalarab song 2018 || কলরব শিল্পীগোষ্ঠী 2018 ||







Part-02 কালেমা নছিবে মোর দিয়ো || Kalarab song 2018 || কলরব শিল্পীগোষ্ঠী 2018 || বাংলা গজল ২০১৮ kalarab song ,কলরব শিল্পীগোষ্ঠী 2018,কলরবের নতুন গজল,কলরব শিল্পীগোষ্ঠী,কলরব গজল,কলরব
২০১৮,bangla islamic song,bangla song 2017,কলরবের গজল,কলরব 2018,গজল,গজল বাংলা,গজল ২০১৮,নতুন গজল 2018,বাংলা গজল,kalarab song 2019,kalarab songit,bangla gojol,bangla gozol,gojol,kalarab gojol,আবু রায়হানের নতুন গজল,আবু রায়হান গজল,আবু রায়হান,abu rayhan gojol,abu rayhan,abu rayhan kalarab mp3,ইসলামিক গজল বাংলা,ইসলামিক গান,ইসলামী গজল,bangla islamic gojol,song

Friday, 14 September 2018

এই শিশু শিল্পীর কিউট গজল শুনেনি এমন কেউ আছে নাকি ?  উর্দু গজল ২০১৮ আরবি ...

এই শিশু শিল্পীর কিউট গজল শুনেনি এমন কেউ আছে নাকি ? উর্দু গজল ২০১৮ আরবি ...





এই শিশু শিল্পীর কিউট গজল শুনেনি এমন কেউ আছে নাকি ? উর্দু গজল ২০১৮ আরবি গজল Bangla Gojol 2018 উর্দু গজল,গজল ২০১৮,গজল বাংলা,গজল টি শুনলে চোখে পানি আসে যায়,গজল 2018,গজল আরবি,আরবি গজল,গজল
ডাউনলোড,bangla
gojol,bangla islamic song,bangla song,কলরব শিল্পীগোষ্ঠী 2018,কলরব,কলরবের নতুন গজল,মিজানুর রহমান আজহারী,গজল মা,মা
গজল,মাকে নিয়ে ইসলামী সংগীত,মাকে নিয়ে ইসলামিক গজল,মাকে নিয়ে গজল,মাকে নিয়ে গজল ২০১৮,আরবি গজল 2018,আরবি গজল
২০১৮,নাত,গজল,উর্দু গজল ২০১৮,ইংরেজি গজল,উর্দু,নাতে রাসুল গজল,হামদ ও নাত,ইসলামিক গজল,ইসলামিক গজল
২০১৮,রাসূল,রমজান,মা,ma

Thursday, 13 September 2018

সুন্নত জিন্দার মিশন পর্ব ৩৭  Md Abdul Kaiyum

সুন্নত জিন্দার মিশন পর্ব ৩৭ Md Abdul Kaiyum

সুন্নত জিন্দার মিশন পর্ব ৩৭

জোহরের আযান দিলে রিমা আর খালিদের ঘুম ভাঙে।খালিদ তারাতারি করে গোসল করে মসজিদে চলে যায়।তারপর রিমা গোসল করে নামাজ আদায় করে নেয়।
দুপুরের খাবার পর রিমা থেকে সবই বিস্তারিত সব কিছু বিস্তারিত বলে।সবাই আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে।
রিমাঃ আমি আপনাদের কাছে একটা আবদার করতে চাই।
খালিদের মাঃ কি মা....

রিমাঃ মা... আমি গতকাল রাত্রে ইশার পর দেখি রাসেদ ভাইয়ের স্ত্রী সবাইকে নিয়ে তালিম করে। আমার কাছে ব্যপারটি খুব ভালো লাগে।আমার ইচ্ছে আমরাও বাড়িতে ইশার পর কিছু তালিম করি। কি বলেন আপনারা..?
খালিদের মাঃ আবদার টা খারাপ না।ভালোই হবে।ঠিক আছে আজ থেকে তাহলে আমরাও শুরু করি।
খাদিজাঃ জী মা... ভালোই হবে ইনশাআল্লাহ।
তারপর তারা সিদ্ধান্ত নিলো আজ রাত থেকেই তারা নিয়মিত ইশার পর তালিম করবে।
.
ভালোই কাটছে তাদের দিন কাল।খুব সতর্কতার সাথে চলাফেরা করে রিমা। খাদিজা নিয়মিত রিমার দেখাশোনা করে।সংসারের কাজের পাশাপাশি টাইম মাফিক রিমার খাওয়া দাওয়া ওষুধ ইত্যাদি রিমাকে স্মরণ করিয়ে এবং মাঝে মাঝে নিজে খাইয়ে দেয়।
গর্ভের সন্তানদের বয়স দশ মাসের কাছাকাছি
রিমা খালিদকে বিদায় দেওয়া পর রিমা খাদিজার সাথে রান্না ঘরে বসে বসে বিভিন্ন কথাবার্তা বলে।হঠাৎ করে তলপেটে ব্যথা শুরু হলো। সাধারণত এই সময় ব্যথা হয়।আগেই অনেক বার হয়েছে।তাই রিমা সাধারণ ব্যথা বলে সহ্য করার চেষ্টা করে।কিন্তু ব্যথার তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।খাদিজাকে বলার পর খাদিজা ধরে কষ্ট করে রুমে নিয়ে যায়।তারপর খাটে শুয়ে দেয়।পরে খাদিজা তাদের শাশুড়ি কে ডেকে আনে।খাদিজা আর শাশুড়ি রিমার পাশে এসে বসে। প্রচন্ড ব্যথায় সহ্য করতে রিমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। রিমা খাদিজার হাত খুব শক্ত করে রাখে।চিৎকার করতে গিয়েও করছেনা।ব্যথা যখন তীব্র থেকে তীব্র হয় তখন অল্প অল্প আওয়াজে আল্লাহ কে বার বাবা ডাকে।রিমার শাশুড়ি রিমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। রিমার অবস্থা সুবিধার মনে হচ্ছে না দেখে উনি উঠে গিয়ে খালিদের বাবাকে তারাতারি ধাত্রীকে ডেকে আনতে বলে। কিছুক্ষণ পর খালিদের বাবা ধাত্রী কে নিয়ে আসে। ধাত্রী এসে কিছুক্ষণ রিমাকে পর্যবেক্ষণ করে।
ধাত্রী :ওর গর্ভে তো মনে হয় একটা নয় দুইটা সন্তান ।
খালিদের মাঃ ডাক্তার বলছিল তিনটা সন্তান।
ধাত্রী : জী...?
খাদিলের মাঃডাক্তার বলছিলো তিনটা।
ধাত্রী : তাহলে রোগীকে বাড়িতে ধরে রাখছেন কেন..?তারাতারি এম্বুলেন্স খবর দেন।হস্পিতাল নিয়ে যান।রিক্স নেওয়া উচিত হবে না। তারাতারি ব্যবস্থা করুন।
ধাত্রীর কথা শুনে খালিদের মা তারাতারি উঠে খালিদ কে ফোন দেয় এবং এম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করতে বলে।
খালিদ সাথে সাথে জানিয়ে দেয় কষ্ট করে হলেও বাড়িতে যেন ডেলিবারী হয় তার ব্যবস্থা করুন।হস্পিতাল নেওয়া মানে সন্তান ও মায়ের একধরনের নিরব মৃত্যু।
খালিদের কথা শুনে খালিদের মা হতাশা মুখ নিয়ে জানিয়ে দেয়....
খালিদের মা:খালিদ বলছে কষ্ট করে হলেও বাড়িতে চেষ্টা করতে।হস্পিতাল নেওয়া নাকি নিরব মৃত্যু।
খালিদের মায়ের কথা শুনে ধাত্রী কি করবে বুজতেছেনা।আগে কখনো এই ধরনের মুখামুখি হয় নি।এখন পারবে কিনা টেনশনে আছে।
ধাত্রী :মা....মনে বল রাখো। ইনশাআল্লাহ আমরা ঘরেই চেষ্টা করবো।মনে বল রাখতে পারবি ও ইনশাআল্লাহ।
রিমাঃ ইনশাআল্লাহ পারবো।(বলতে অনেক কষ্ট হয়)
সাধারণত একজন মানুষ বিশ(২০) ইউনিট ব্যাথা সহ্য করতে পারে। কিন্তু রিমাকে এখন প্রায় ৫৭+ ইউনিট সহ্য করতে হচ্ছে।যা শরীরের একসাথে বিশ টা হাড় ভেঙে যাওয়ার সমান।প্রচন্ড ব্যথায় রিমা খাদিজার হাত শক্ত করে ধরে রাখে।খালিদা রিমাকে সাহস দিয়ে যাচ্ছে।রিমা বার বার আল্লাহ কে স্মরণ করছে।ধাত্রী চাদর দ্বারা রিমার শরীর ঢেকে রেখে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় স্থান খুলে রাখে।
খালিদের মা রিমার রুম বের হয়ে ওযু করে নামাজের রুমে চলে যায়।সেখানে গিয়ে দোয়া দউদুরুদ পড়তে থাকে।খালিদ দোকান বন্ধ করে এসে সামনের রুমে বসে দোয়া দুরুদ পড়তে থাকে।
ধাত্রী চাদরের নিচ দিয়ে হাত ডুকিয়ে রিমার পেট মর্দন করে।
প্রচন্ড ব্যাথায় রিমা অজ্ঞান হয়ে যাবে যাবে অবস্থা। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য চিৎকার করতে পারছে না।এক হাত দিয়ে বালিশ চেপে ধরে আরেক হাত দিয়ে খাদিজার হাত শক্ত করে ধরে রাখে। অনেকক্ষণ ব্যাথা সহ্য করতে করতে রিমা তার প্রথম বাচ্চা প্রসব করে।রিমা খাদিজা আর ধাত্রী সবাই আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে।
ধাত্রী যাবতীয় সকল কার্যক্রম শেষ করে খালিদের মা কে ডাকে।উনি এসে প্রথম বাচ্চাকে কোলে নেয়।তারপর আবার ধাত্রী রিমাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।কিছুক্ষণ পর আবার প্রসব বেদনা শুরু হয় এবং ২য় বাচ্চা প্রসব করে।তারা শুকরিয়া আদায় করে তারপর ধাত্রী যাবতীয় কার্যক্রম শেষকরে।তারপর ৩য় বাচ্চার প্রসব হয়।সবাই শুকরিয়া আদায় করে।
তারপর ধাত্রী রিমার অন্যান্য কাজ সমাধান করে।
খালিদ সামনের রুমে বসে বসে দোয়া দুরুদ নিয়ে ব্যস্ত।যখন মোটামুটি সব কাজ শেষ হয়।তখন খালিদ কে খবর দেওয়া হয় যে তার তিনটা কন্যা সন্তান হয়েছে।
খালিদঃআলহামদুলিল্লাহ্‌।
খালিদের মাঃ দেখবি....? আয়
খালিদঃ সব কাজ কি শেষ..?আমি কি এখন ঐ রুমে যেতে পারবো..?
খালিদের মাঃ আরে না... বাচ্চাদের তো আমি পাশের রুমে নিয়ে আসছি।খাদিজা আর ধাত্রী এখনো রিমাকে নিয়েই আছে।
তারপর খালিদ পাশের রুমে আসলো। যখন বাচ্চাদের প্রথম দেখলো তার এক অন্যরকম এক আনন্দ অনুভব করে।যখন প্রথম একটা কে কোলে নেয় তখন তার কাছে আরো বেশি আনন্দ লাগে। তার কাছে মনে হলো আল্লাহ মনে হয় তাকে দুনিয়ার সমস্ত সুখ দিয়ে দিছেন।আনন্দে তার চোখের পানি চলে আসে।
তারপর বাচ্চার কানের সামনে নিজের মুখে নিয়ে ডান কানে আযান এবং বাম কানে একামত দেয়।
এভাবে তিনটা বাচ্চাকেই কোলে নিয়ে খালিদ ডান কানে আযান এবং বাম কানে একামত দেয়।
তারপর খালিদ খেজুর চিবিয়ে রস বের করে তার সন্তানদের মুখের লালার সাথে মিশ্রিত করে আঙুল দিয়ে মুখের জিব্বাহ তে লাগিয়ে দেয়।
তারপর বাচ্চাদের রিমার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।এবং দুধ পান কারনো হয়।
আযান দিলে খালিদ মসজিদে চলে যায়।আসার সময় বাজার থেকে মিষ্টি নিয়ে আসে।দুপুরের খাবারের পর সবাই মিষ্টি মুখ করে।তারপর খালিদ ধাত্রীকে তার মায়ের মাধ্যমে উপযুক্ত হাদিয়া প্রদান করে এবং ধাত্রী কিছু দিকনির্দেশনা দিয়ে বিদায় নেয়।
খাদিজা রিমার জন্য হালকা নরম খাবার তৈরী করে নেয়।তারপর নিজের হাতে খাইয়ে দেয়।খাওয়ার পর রিমা খাটে শুয়ে থাকে।
তিনটার দিকে খালিদ রুমে প্রবেশ করে।
খালিদঃ আসসালামু আলাইকুম।
রিমাঃ ওয়ালাইকুমুসসালাম। (উঠার চেষ্টা করে)
খালিদঃ আরে...আপনি শুয়ে থাকুন। উঠতে হবে না।
চলবে ইনশাআল্লাহ
শিক্ষা
★হস্পিতালে সন্তান জন্মানো মানেই এক ধরনের নিরব মৃত্যু। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত বাড়িতে জন্মানো শিশুর থেকে হস্পিতালে জন্মানো শিশুর স্মৃতিশক্তি কম হয়।তাছাড়া দুর্বলও বেশি হয়।তাছাড়া হস্পিতালে অনেক অনেক শরীয়াহ পরিপন্থী কাজ হয়।তাই হযরতে ওলামায়ে কেরাম খুব একাবারেই হস্পিতালে না গেলেই নয় এমন অবস্থা ছাড়া হস্পিতাল যেতে নিষেধ করেছেন।
তাছাড়া যে মা সন্তান প্রসবের সময় যত বেশি কষ্ট অনুভব করবে সে মা সন্তান কে ততবেশি ভালোবাসবে ও কেয়ার করবে।
★ডেলিভারীর সময় ঘনিয়ে আসলে হবু মা ও বাবা দুজনকেই বেশীর থেকে বেশি আল্লাহর কাছে নেক সন্তানের জন্য দোয়া করা।
সন্তান প্রসব কঠিন বা ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় প্রসব বেদনা-কাতর নারী নিরুপায় ও মুসিবতগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত, সে হিসেবে বলা যায় এটা তার দোয়া কবুল হওয়ার মুহূর্ত। আল্লাহ তাআলা বলেন,
বরং (আল্লাহ) তিনি, যিনি নিরুপায়ের ডাকে সাড়া দেন এবং বিপদ দূরীভূত করেন। (সূরা নামাল : ৬২)
কুরআনের আয়াত বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লামের হাদিস দ্বারা প্রসবকালীন নির্দিষ্ট কোন দোয়া বা আমল প্রমাণিত নেই।এ ক্ষেত্রে সাধারণ দোয়াই যথেষ্ট।
হাসপাতাল বা ক্লিনিক যেখানেই যান, কয়েকটি জিনিষ খেয়াল রাখা প্রয়োজন—
১। যে কোন জটিলতা সামাল দিতে উন্নত ব্যবস্থা আছে কি না?
২। ডাক্তার বিশ্বস্থ ও অভিজ্ঞ কিনা?
৩। জীবানুমক্ত পরিবেশ ব্যবস্থা আছে কিনা?
৪। শিশুর প্রয়োজনে উন্নত শিশুবিভাগ আছে কিনা?
৫। শরিয়তের পর্দা ব্যবস্থা করা যাবে কিনা?
পূর্ব থেকে নিজের একটি ম্যাক্সী, ওড়না ও মাথায় রাখার জন্য একটি সুতির টুপি বা ছোট স্কার্ফ ধুয়ে জীবানুমুক্ত করে রাখা যেন প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারেন। যদি সিজার বা অপারেশন প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে টুপি ও গাউন থাকে তা ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখা। বর্তমানে মেডিকেল শিক্ষায় ও চিকিৎসায় নতুন উন্নত রিভিউ এসেছে, সেটার ব্যপারে ডাক্তারের সাথে আপ টু ডেট থাকা।
বোনদের সুবিধার্থে কিছু প্রশ্ন যা ফিকাহ সংক্রান্ত তা উল্লেখ করছি, উত্তর দিয়েছেন শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী আল-মাদানী ।
★★★ গর্ভবতী মহিলা যদি সন্তান প্রসবের ২/১ দিন আগে রক্ত দেখতে পায়, তাহলে এই কারণে কি সে নামায-রোযা পরিত্যাগ করবে?
👉👉গর্ববতী মহিলা যদি সন্তান প্রসবের ২/১ দিন আগে রক্ত দেখতে পায় এবং তার সাথে প্রসব বেদনা থাকে, তাহলে উহা প্রসূতি অবস্থার রক্ত। এই কারণে সে নামায-রোযা পরিত্যাগ করবে। কিন্তু যদি তার সাথে প্রসব বেদনা না থাকে, তাহলে উহা কূ-রক্ত। এটাকে কোন কিছু গণ্য করা হবে না এবং ঐ রক্ত তাকে নামায-রোযা থেকেও বিরত রাখবে না।
★★★গর্ভবতীর সাধারণতঃ ঋতুস্রাব আসে না, যেমনটি ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, “মহিলারা ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার মাধ্যমে গর্ভাবস্থা টের পায়।”
আর আলেম সমাজের বক্তব্য অনুযায়ী, আল্লাহপাক এই ঋতুস্রাবকে অন্তর্নিহিত এক তাৎপর্যকে লক্ষ্য করে সৃষ্টি করেছেন। তাহলো এই যে, গর্ভজাত সন্তানের জন্য খাদ্য হিসাবে কাজ করা। সেজন্য যখন পেটে সন্তান আসে, তখন ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়।
কিন্তু কিছু কিছু মহিলার গর্ভধারণের আগের মতই ঋতুস্রাব চলতে দেখা যায়। এই ঋতুস্রাবও প্রকৃত ঋতুস্রাব হিসাবে গণ্য হবে। কেননা গর্ভাবস্থার কারণে তার ঋতুস্রাবের উপর কোন প্রভাব পড়ে নি। সুতরাং সাধারণ মহিলার ঋতুস্রাব যা থেকে বিরত রাখবে, গর্ভবতীর ঋতুস্রাবও তা থেকে বিরত রাখবে এবং উহা যা আবশ্যক করবে ইহাও তা আবশ্যক করবে। অনুরূপভাবে উহা যা থেকে দায়মুক্ত করবে ইহাও তা থেকে দায়মুক্ত করবে।
মূলকথা হচ্ছে, গর্ভধারিণীর রক্ত দুই ধরনেরঃ
এক ধরনের রক্ত ঋতুস্রাব হিসাবে গণ্য হবে। আর তা হচ্ছে, যেটা এখনও চলছে, যেমনিভাবে গর্ভধারণের পূর্বেও চলছিল। অর্থাৎ গর্ভধারণ এই ঋতুস্রাবের উপর কোন প্রভাব ফেলেনি। বিধায় ইহা ঋতুস্রাব হিসাবেই গণ্য হবে।
আরেক ধরনের রক্ত গর্ভধারিণীর নিকট হঠাৎ আসে- দুর্ঘটনাজনিত কারণে হোক বা কোন কিছু বহনের কারণে হোক অথবা কোন কিছু থেকে পড়ে গিয়ে হোক অথবা অন্য কোন কারণে হোক। এই ধরনের রক্তকে ঋতুস্রাব গণ্য করা হবে না; বরং তা শিরা থেকে আসা সাধারণ রক্ত। সুতরাং এই রক্ত তাকে নামায-রোযা থেকে বিরত রাখবে না; বরং সে পবিত্র হিসাবে বিবেচিত হবে। কিন্তু দুর্ঘটনার কারণে যদি গর্ভপাত ঘটেই যায়, তাহলে আলেমগণের বক্তব্য অনুযায়ী তার দুটো অবস্হাঃ
এক. গর্ভজাত সন্তান আকৃতি ধারণের পর বের হলে বের হওয়ার পরবর্তী রক্ত প্রসূতি অবস্থার রক্ত হিসাবে গণ্য হবে। ফলে সে নামায-রোযা ত্যাগ করবে এবং পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তার সাথে তার স্বামী সহবাস করা থেকে বিরত থাকবে।
দুই. গর্ভজাত সন্তান আকৃতি ধারণের পূর্বে বের হলে সেই রক্তকে প্রসূতি অবস্থার রক্ত গণ্য করা হবে না; বরং সেটা কূ-রক্ত হিসাবে বিবেচিত হবে এবং উহা তাকে নামায-রোযা ইত্যাদি ইবাদত থেকেও বিরত রাখবে না।
বিশেষজ্ঞ মহল বলেন, বাচ্চা আকৃতি ধারণের সর্বনিম্ন সময় হচ্ছে ৮১ দিন। এ প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনা করেন- যিনি হচ্ছেন সর্বজনবিদিত সত্যবাদী- “তোমাদের যে কাউকে চল্লিশ দিন ধরে তার মায়ের পেটে একত্রিত করা হয়, তারপর অনুরূপ চল্লিশ দিনে সে জমাটবদ্ধ রক্ত হয় এবং তারপর অনুরূপ চল্লিশ দিনে সে মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়। অতঃপর চারটি বিষয়ের নির্দেশনা দিয়ে তার কাছে ফেরেশতা পাঠানো হয়। অতঃপর তার রিযিক্ব, দুনিয়াতে তার অবস্থানকাল, তার আমলনামা এবং সে দুর্ভাগা হবে না সৌভাগ্যবান হবে তা তিনি নির্ধারণ করে দেন।”
বুখারী, ‘ অনুচ্ছেদ হা/৩৩৩২; মুসলিম, অনুচ্ছেদ হা/১, ২৬৪৩।
প্রথমতঃ তিন মাসে গর্ভপাত ঘটলে মহিলার যে রক্ত আসে, তাকে “প্রসূতি অবস্থার রক্ত” না বলে “কূ-রক্ত” বলা হয়েছে। দ্বিতীয়তঃ “৮০দিনের আগে যদি গর্ভপাত ঘটে, তাহলে উক্ত মহিলার রক্ত কূ-রক্ত হিসাবে পরিগণিত হবে”
এই হাদীছের আলোকে ৮১ দিনের আগে আকৃতি লাভ সম্ভব নয়। আর বিশেষজ্ঞগণের মতে, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ৯০ দিনের আগে আকৃতি প্রকাশিত হয় না।
★★★সদ্য প্রসবকারিণী নারী কি সালাত-সিয়াম (নামায-রোযা) পরিত্যাগ করে চল্লিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে নাকি রক্ত বন্ধ হওয়া না হওয়াই হলো মূল বিষয়? অর্থাৎ যখনই রক্ত বন্ধ হয়ে যাবে, তখনই কি পবিত্র হয়ে যাবে এবং নামায শুরু করবে? আর পবিত্র হওয়ার সর্বনিম্ন কোন সময়সীমা আছে কি?
👉👉 মহিলার নিফাসের নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা নেই; বরং যতদিন রক্ত থাকবে, ততদিন অপেক্ষা করবে। এমতাবস্থায় নামায পড়বে না, রোযা রাখবে না এবং তার স্বামী তার সাথে সহবাসও করবে না।
পক্ষান্তরে যখনই সে পবিত্র হয়ে যাবে-যদিও তা চল্লিশ দিনের আগে হয়; এমনকি দশ বা পাঁচ দিনেও যদি সে পবিত্র হয়- তাহলে সে নামায পড়বে, রোযা রাখবে এবং তার স্বামী তার সাথে সহবাসও করবে। এতে কোন সমস্যা নেই। মূলকথাঃ প্রসূতি অবস্থা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য একটা বিষয়- যা থাকা আর না থাকার সাথে এ সম্পর্কীয় বিধিবিধান সম্পর্কযুক্ত। সুতরাং যখনই সেটা বিদ্যমান থাকবে, তখনই তার বিধিবিধান বলবৎ থাকবে। আর যখনই কোন মহিলা তা থেকে মুক্ত থাকবে, তখনই সে উহার বিধিবিধান থেকে মুক্ত থাকবে। কিন্তু যদি তার রক্ত ষাট দিনের বেশী সময় ধরে চলে, তাহলে বুঝতে হবে সে ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলা। এক্ষেত্রে সে শুধুমাত্র অন্যান্য মাসের ঋতুস্রাবের দিনগুলো সমপরিমাণ অপেক্ষা করবে এবং এরপরে বাকী দিনগুলোতে গোসল করে নামায পড়বে।
★★★ইস্তেহাযা এমন রক্ত-যা ঋতুস্রাব ও প্রসূতির সময় ছাড়া অন্য সময়ে বের হয় অথবা এতদুভয়ের পরপরই বের হয়। সে কারণে কোন মহিলার হায়েয ও নিফাসের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলে যদি ঐ সময়সীমা অতিক্রম করে তার রক্ত চলে, তাহলে তাকে ইস্তেহাযা বলে। এটি মূলতঃ এক ধরনের রোগ। হায়েয ও ইস্তেহাযার মধ্যে পার্থক্যঃ
১. ইস্তেহাযা লাল রঙের হয়। পক্ষান্তরে হায়েয হয় কালো রঙের অথবা গাঢ় লাল (প্রায় কালো) রঙের।
২. ইস্তেহাযার দুর্গন্ধ থাকে না। পক্ষান্তরে হায়যের দুর্গন্ধ থাকে।
৩. ইস্তেহাযার রক্ত বের হওয়ার পর জমাটবদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু হায়েয কখনও জমাটবদ্ধ হয় না।
৪. বেশীরভাগ ক্ষেত্রে হায়েয প্রচুর পরিমাণে বের হয়। কিন্তু ইস্তেহাযা কম পরিমাণ বের হয়।
৫. বেশীরভাগ ক্ষেত্রে হায়েয বেদনা সৃষ্টি করে। কিন্তু ইস্তেহাযা তা করে না।
৬. হায়েয খুব গাঢ় হয়। কিন্তু ইস্তেহাযা পাতলা হয় ইত্যাদি। (আল-আহকাম আল-ফিক্বহিইয়াহ আল-মুখতাছারাহ ফী আহকামি আহলিল আ‘যার)।
প্রসবোত্তর স্রাব অথবা ঋতুস্রাব থাকাকালীন সময়ে মিলন হারাম। কিন্তু সেই অবস্থায় স্বামী নিজের কাম বাসনা চরিতার্থ করতে কি করতে পারে?
মহান আল্লাহ বলেছেন,
“লোকেরা তোমাকে রাজঃস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করে। তুমি বোল, তা অশূচি। সুতরাং তোমরা রাজঃস্রব কালে স্ত্রী সঙ্গ বর্জন কর। এবং যতদিন না তারা পবিত্র হয়, (সহবাসের জন্য)তাঁদের নিকটবর্তী হয়ো না। অতঃপর যখন তারা পবিত্র হয়, তখন তাঁদের নিকট ঠিক সেই ভাবে গমন কর, যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাপ্রার্থীগণকে এবং যারা পবিত্র থাকে, তাঁদেরকে পছন্দ করেন।” (বাকারাহঃ ২২২)
কিন্তু নিকটবর্তী হয়ো না’র অর্থ হল সঙ্গমের জন্য তাঁদের কাছে যেও না। অর্থাৎ যোনিপথে সঙ্গম হারাম। পায়খানারদ্বারেও সঙ্গম হারাম।
আল্লাহ্‌র রাসুল (সঃ) বলেন,
“আল্লাহ আযযা অজাল্ল (কিয়ামতের দিন) সেই ব্যক্তির দিকে তাকিয়েও দেখবেন না, যে ব্যক্তি কোন পুরুষের মলদ্বারে অথবা কোন স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গম করে।” (তিরমিযী, ইবনে হিব্বান, নাসাঈ, সহিহুল জামে ৭৮০১ নং)
তিনি আরও বলেন,
“যে ব্যক্তি কোন ঋতুমতী স্ত্রী (মাসিক অবস্থায়) সঙ্গম করে অথবা কোন স্ত্রীর মলদ্বারে সহবাস করে, অথবা কোন গনকের কাছে উপস্থিত হয়ে (সে যা বলে তা) বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (সঃ) এর উপর অবতীর্ণ কুরআনের সাথে কুফরী করে।” (অর্থাৎ কুরআনকেই সে অবিশ্বাস অ অমান্য করে। কারণ, কুরআনে এক সব কুকর্মকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।)
আহমাদ ২/৪০৮, ৪৭৬, তিরমিযী, সহীহ ইবনে মাজাহ ৫২২ নং)
তাহলে যৌন ক্ষুধা মিটাতে এ সময় করা যায় কি?
এর উত্তর দিয়েছেন মহানবী (সঃ)। তিনি বলেছেন,
“সঙ্গম ছাড়া সব কিছু কর।” (মুসলিম ৩০২ নং)
প্রসবকালীন সময়ে যা যা করা যাবে না--------
★সম্পূর্ণ উলঙ্গ করা যাবে না।শরীরের যে টুকু অংশ না খুললেই নয়।ঐ অংশ ব্যতিত আর বাড়তি কোন অংশ পর্দামুক্ত করা যাবে না।
★প্রসব কাজে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত নয়-এমন কারো সামনে শরীর খোলা জায়েজ নয়।অন্য মহিলাদেরও সামনে এসে সতর দেখা হারাম।
★নাভির নিচে কাপড় উম্মুক্ত করে দেখা জায়েজ নাই।
★ধাত্রীকে যদি পেট মর্দন করতে হয়।তাহলে সরাসরি পেট থেকে কাপড় সরিয়ে পেট মর্দন করা উচিৎ নয়।এক্ষেত্রে আগে রোগীকে চাদর দ্বারা আবৃত করে তারপর চাদরের ভিতর বাহিরে থেকে হাত ডুকিয়ে মর্দন করবে।
★প্রচন্ড ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে অনেক বোন শরীয়াহ পরিপন্থী কথা বলে ফেলে(এত কষ্ট সহ্য করতে পারছি না,আর জীবনেও সন্তান নিবো না,এই রকম কষ্ট হবে জানলে আগেই নষ্ট করে ফেলতাম)।এই ধরনের কথা গুলো বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।এই সময় বেশি বেশি আল্লাহ কে ডাকা এবং দোয়া করা উচিত।
সন্তান জন্মানোর পর করনীয় ----
★ভেজা কাপড় দিয়ে শিশুর নাক, কান, গলা, মাথা ভালভাবে পরিস্কার করবে। পারলে গোসল করিয়ে নিলে ভালো হয়। অপরিচ্ছন্নতা থেকে শিশুর বহু রোগ জন্ম নেয় বলে বিশেষজ্ঞরা বলেন।
বাচ্চার ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকলে তাকে গোসল দেয়া আবশ্যক নয়। তবে যৌক্তিক কোন কারণ না থাকলে ময়লাসহ রাখা উচিত নয়। কারণ ময়লা ও নাপাক ব্যক্তির কাছে ফেরেস্তা আসে না।
★সম্ভব হলে শিশুকে প্রথম দুধ পান করানোর আগে কোন বুযুর্গ ব্যক্তির কাছে নিয়ে সামান্য খেজুর চিবিয়ে শিশুর মুখে দিবে। এটাকেই তাহনীক বলে। -মুসলিম ৫৭৩৯
★জন্ম নেবার পর শিশুর ডান কানে আজান ও বাম কানে ইকামত দিবে মৃদু আওয়াজে।--শুয়াবুল ঈমানঃ৮৬১৯
৫-শিশু জন্ম নেবার সাত দিনের মাথায় মাথার চুল ফেলে চুল পরিমাপ করে সে ওজন পরিমাণ স্বর্ণ বা রোপা বা তার মূল্য দান করা মুস্তাহাব।--শুয়াবুল ঈমানঃ৮২৬২
৬-সন্তান জন্ম নেবার পর সপ্তম দিন ছেলে হলে দু’টি বকরী বা গরু-মহিষের ৭ ভাগের দুই ভাগ, আর মেয়ে হলে একটি বকরী বা গরু-মহীষের ৭ ভাগের একভাগ আক্বিকা হিসেবে জবাই করা এ মুস্তাহাব। আত্বীয় স্বজনকে খাওয়াবে গোস্ত, এবং গরীব দুঃখীদের খাওয়াবে। নিজেরাও খাবে। সেই সাথে ছেলেটির সুন্দর নামও রাখাও মুস্তাহাব এদিন।---আবু দাউদঃ২৮৬৬
৭দিনের মাথায় আক্বিকা দিতে না পারলে ১৪দিনের মাথায়, না হলে ২১ দিনের মাথায় আক্বিকা দিবে। অথবা বালেগ হওয়ার আগে যেকোন সময় জন্মের সাত দিন হিসেব করে সাত দিনের মাথায় আক্বিকা দেয়া উত্তম। জরুরী নয়। কুরবানীর সাথেও আক্বিকা দেয়া যায়।
বাচ্চা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে গেলে আক্বিকার প্রয়োজনীয়তা আর বাকি থাকে না। তাই নাবালেগ থাকা অবস্থায় আক্বিকা দেয়াই উচিত।
আক্বিকা দেয়া জরুরী কোন বিষয় নয়, বরং মুস্তাহাব।
কুসংস্কার ও শরীয়াহ পরিপন্থী কাজ--------
★কন্যা সন্তানের জন্মে অসন্তুষ্ট না হওয়া: কারণ কন্যা সন্তান আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত। তাছাড়া কন্যা সন্তানের জন্মে অসন্তুষ্ট হওয়া যেমন ভাগ্যের প্রতি অসন্তুষ্ট হওয়া তেমন জাহেলী যুগের লোকদের প্রথা সমর্থন করা। কারণ তারা মেয়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়াকে মন্দ মনে করতো। আল্লাহ বলেন: “তাদের কাউকেও যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায়।“ [ নাহল/৫৮
★প্রসূতি যে পাত্র ব্যবহার বা স্পর্শ করে তা না ধুয়ে ব্যবহার করা যবে না।এটা কুসংস্কার।
★নেফাসের রক্ত বন্ধ হয়ে গেলেও ৪০ দিন পর্যন্ত নামাজ পড়া বা রোজা রাখা যাবে না। এটা শরীয়াহ পরিপন্থী কাজ।এই ব্যপারে উপরে আলোচনা হয়েছে।
★প্রসূতি গোসল করা না পর্যন্ত তার হাতে কিছু খাওয়া যাবে না।এটা কুসংস্কার।
★৪০ দিন পর্যন্ত স্বামী তার প্রসূতি স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না।এটা কুসংস্কার। স্বামী তার স্ত্রীর রুমে প্রবেশ করতে পারবে তবে নিফাস থাকা কালিন সহবাস থেকে বিরিত থাকতে হবে।
★৬ দিনের দিন প্রসূতি কে গোসল করাতেই হবে।এমন টা ভাবা বা করা উচিৎ নয়।এটা কুসংস্কার।
★প্রসূতিকে গোসল করানোর সময় ধাত্রী বা যিনি গোসল করান,তিনি সরাসরি যে সব অঙ্গ ধরা বা দেখা নাজায়েজ ঐ সব অঙ্গও দেখে বা হাত দ্বারা মর্দন করে।এটা শরীয়াহ পরিপন্থী কাজ।এক্ষেত্রে যিনি গোসল করাবেন তিনি হাতে গিলাফ বা কাপড় পেছিয়ে মর্দন করাবে।
★প্রসূতি কে গোসল করানোর সময় ধুমধাম,নাচ,গান করা গুনাহের কাজ।
★অনেকেই মনে করেন প্রসূতি নারী যদি মারা যায় তাহলে তার আত্মা প্রেতাত্মা হয়ে যায়--এমন ধারনা ভুল।বরং হাদিস দ্বারা প্রমানিত হয় এই অবস্থায় কোন বোন মারা গেলে তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দেওয়া হয়।



tag 

mizanur rahman azhari bangla waz all bangla waz 2018 mp3 bangla waz amir hamza hafizur rahman siddiki new waz 2018 bangla 2018 tarek monowar waz mahfil bangla 2018 bangla waz 2018 amir hamza bangla waz 2018 taheri tofazzal hossain full bangla waz 2018 new bd waz bangla abdullah al amin waz mahfil bangla 2017 khaled saifullah ayubi mizanur rahman azhari english waz bangla mp3 bangla waz 2017kolorober gojol badruzzaman kalarab kalarab tv holy tune gojol kalarab newainuddin al azad islamic bangla islamic salam kalarab kalarab shilpi gosthi new song 2017 kalarab allah allahmuhib khan 2018 allah boloabu rayhan 2018 holy tune record sabu rayhan islamic song kala movie ami dekhini tomay iqbal hj bangla islamic song 2017iqbal hossain jibon
kalarab new song 2018, kalarab new song, kalarab song, bangla islamic song, holy tune, kalarab shilpigosthi, kalarab tv, kalarab shilpi, kalarab new gojol, kalarab islamic song, kalarab live, kalarab shilpi gosthi new song, kalarab new islamic song, kalarab best song, kalarab bangla gojol, kalarab best gojol, kalarab bangla, kalarab bodruzzaman, kalarab by abu rayhan, kalarab new 2018, ???? ????????????, kalarab new song 2018 download, 2018 islamic song, waz

Saturday, 2 January 2016

Banglalink Free Internet for Java Symbian & Android / বাংলালিংক ফ্রি ইন্টারনেট নোকেয়া  জন্য  ।

Banglalink Free Internet for Java Symbian & Android / বাংলালিংক ফ্রি ইন্টারনেট নোকেয়া জন্য ।

Banglalink Free Internet for Java Symbian & Android / বাংলালিংক ফ্রি ইন্টারনেট নোকেয়া  জন্য  । 

আপনারা সবাই কেমন আছেন,
আশা করি খুব ভাল আছেন এবং আগামি তে যেন সব
সময় ভালো থাকেন BDPEN এর পক্ষ থেকে
এই কামনা রইলো।

Banglalink এ Free 4GB নিছেন But Facebook ছাডা অন্য সাইট থেকে Browsing & Download করতে পারছেন না। তাই Solution নিয়ে এলাম। For Java Symbian & Android

Like Us On Facebook


যারা 4GB নিছেন তারা যদি আরও 4GB নিয়ে চান & যারা
এখনো কিছুই নেন নিন তারা প্রথমে নিচের
Code টি Dail করুন।



*222*1*44#



ব্যাস Dail করার সাথে সাথেই 4GB পেয়ে
যাবেন।
MB Cheak করতে Dail করুন।

*222*3*44#




এবার কাজের কথায় আসা যাক।


Nokia জাবা বেব্যহারকারী নিচ থেকে Prov টি
নামিয়ে নিন।


Java.prov


Now Symbian & Android Setting
Name: Trickbd
Apn: blwap
Proxy: 10.10.55.34
Port:8799
Homepage: bdpen


এবার Java Symbian Android ভাইয়ারা নিচের লিনক থেকে Handler App নামিয়ে নিন। সব Handler App চলবে।



bdpen.blogspot.com


এবার হল আসল কাজ। এবার Java
Symbian & Android User নিচের
Txt ফাইল টি নামান।
এখানে Server & Proxy Type দিলাম
না। নিচের
Txt ফাইল Download করে নিন। এর
ভিতরে Proxy
Type & Server দেওয়া আছে।

Download


আর একটা কথা আমি যে Browser গুলা দিছি এগুলা
ছারাও সব Handler App বেব্যহার করতে
পারবেন।
Only ওপরের Txt ফাইল এর মাঝে Proxy Type
& Server টি বসিয়ে দিবেন।
আমি ২g টে 28Kb পেয়েছিলাম। 3G তে Try
করে দেখবেন। চলে কিনা।
সিমে টাকা রাখবেন না। Only P1 Packege Active
করে রাখবেন। To Active This Type P1 & Sent
It 3343


Post Collected.........

Monday, 7 December 2015

আমি অবৈধ মেলামেশা না করে, যদি হস্তমৈথন করি তাহলে সেইটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে খারাপ?

আমি অবৈধ মেলামেশা না করে, যদি হস্তমৈথন করি তাহলে সেইটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে খারাপ?

আমি কোন মেয়ের সাথে অবৈ্ধ মেলামেশা না করি যদি হস্তমৈথন করি তাহলে সেইটা ইসলামের দৃষ্টিতে ভাল না খারাপ?

উত্তরঃ

কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা সাত ব্যাক্তির দিকে তাকাবেন না – তার মধ্যে যে ব্যাক্তি হস্তমৈথন করে সেও একজন।

১ . যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না। যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান।

২ . বসে না থেকে সময়টা কাজে লাগান। জীবনকে সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। সব সময় নতুন কিছু করার দিকে ঝোঁক থাকলে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। এই সাথে আরো সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন ভাবে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবেন, বেঁচে থাকার নতুন মানে খুঁজে পাবেন। সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে পড়ুন। লেখালেখি করতে পারেন, গান-বাজনা শিখতে পারেন, আঁকাআঁকি করতে পারেন, অথবা আপনি যা পারেন সেটাই করবেন। নিয়মিত খেলাধূলা করুন। ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন। স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন। ফলমূল-শাকসবজি বেশি খাবেন। নতুন কোন শখ বা হবি নিয়ে মেতে উঠুন। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন, আরো কত কিছু আছে করার। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন। অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশ ও দশের জন্য সেবামূলক কাজে জড়িত হোন।

৩. ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনের একটা নেশা থেকে মুক্ত পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার আগাতে হবে। ভালো কাজ করলে নিজেকে নিজে নিজে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন।

৪. অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

Friday, 20 November 2015

আরব বিশ্বে প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই)।

আরব বিশ্বে প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই)।

আরব বিশ্বে প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই)।

বুধবার দেশটির ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের (এফএনসি) সদস্যরা আমাল আল-কুবাইসিকে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আল-এরাবিয়া।

সাতটি রাজ্য বা আমিরাতের প্রতিনিধিত্বকারী গুরুত্বপূর্ণ এ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টই পদাধিকার বলে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে আরব আমিরাতের ৭৯ হাজার ভোটার ৪০ সদস্যবিশিষ্ট এফএনসির ২০ সদস্যকে নির্বাচিত করেন। বাকিরা আমিরাতগুলোর(প্রদেশ বা রাজ্য) ইলেকটোরাল কলেজের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হন। এফএনসির সদরদপ্তর ইউএই-এর রাজধানী আবুধাবিতে।  

এফএনসি সরকারের উপদেষ্টা পর্ষদ হিসেবে কাজ করে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর উৎফুল্ল কুবাইসি তার প্রতিক্রিয়ায় কাউন্সিলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।

“আরব বিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে এ দায়িত্ব পাওয়ায় নিজেকে গর্বিত লাগছে।”

এর আগে ২০০৬ সালে কাউন্সিলের প্রথম নারী সদস্য মনোনীত হয়েও ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রিধারী এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুবাইসি।

তিনি কিছু সময়ের জন্য এফএনসির ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও পালন করেছেন। আর ওই সময়েই তিনি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে তার যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন।

টুইটারে নতুন স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুম।

অন্য এক টুইট বার্তায় মাকতুম আমিরাতের নারীদের ‘অসামান্য রাজনীতিবিদ’ উল্লেখ করে বলেছেন, তারা দেশ ও আরব বিশ্বকে বিশ্বের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের জন্য যোগ্য। 

ওই অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশেই নারীদের জনসম্মুখে আসা ও ভোটাধিকার প্রাপ্তি নিষিদ্ধ। কিছু কিছু দেশে তাদের গাড়ি চালানোর অনুমতিও দেয়া হয়না।

কুবাইসির স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ‘আরব বিশ্বে নারী জাগরণে’ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংবাদপত্র খালিজ টাইমসের নগর সম্পাদক মুস্তাফা আল জারুনিও।

আল-এরাবিয়াকে তিনি বলেন, “এ অসাধারণ পদক্ষেপ বোঝাচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্ব সমাজ ও রাজনীতিতে নারীদের এগিয়ে আসতে উৎসাহ দিচ্ছেন।”

একইরকম মন্তব্য করেছেন দুবাইভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুলখালেক আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “অনেকেই মনে করেন, নারী প্রতিনিধিত্ব আসলে লোক দেখানো ব্যাপার। কিন্তু কুবাইসি প্রমাণ করেছে, তার যোগ্যতাই তাকে এত উপরে নিয়ে এসেছে।”

Monday, 16 November 2015

সালমানের 'প্রেম'-এ বক্সঅফিসে কাত বজরঙ্গী ভাইজান

সালমানের 'প্রেম'-এ বক্সঅফিসে কাত বজরঙ্গী ভাইজান

নিন্দুকেরা বলেছিলেন 'ন্যাকামি'র চূড়ান্ত। করণ জোহর বলেছেন, 'কনটেন্টের চেয়ে বলিউড অনেক বেশি জোর দেয় স্টারের উপর।'। শেষমেশ অবশ্য কোনাে সমালোচনাই ধোপে টিকল না। সালমান খানের 'প্রেম রতন ধন পায়ো' বক্স অফিসে আক্ষরিক অর্থেই দীপাবলি ধামাকা। দু'দিনেই বক্স অফিস কলেকশন দাঁড়াল ৭১.৩৮ কোটি টাকা। 'বজরঙ্গী ভাইজান'-এর রেকর্ড ছাপিয়ে ২০১৫-এ 'প্রেম রতন ধন পায়ো'-ই এখনও পর্যন্ত বিগেস্ট হিন্দি ওপেনার।
'হাম আপকে হ্যায় কৌন', 'হাম সাথ সাথ হ্যায়', 'ম্যায়নে পেয়ার কিয়া'-এর পর বহু বছর বাদে একটি পারিবারিক ছবিতে কাজ করলেন সালমান খান। দীর্ঘ কয়েক বছর অ্যাকশন ছবির পর সল্লু ভাইয়ের 'প্রেম' ইমেজে যে একটুও ভাঁটা পড়েনি, তারই প্রমাণ 'প্রেম রতন ধন পায়ো।' এ বছর সালমানের পরপর দুটি ছবিই একেবারে ভিন্ন স্বাদের। ঈদে 'বজরঙ্গী ভাইজান'-এর পর দীপাবলিতে 'প্রেম রতন ধন পায়ো'। এবং দ্বিতীয় ছবি ছাপিয়ে গেল বজরঙ্গীর রেকর্ড।
'বজরঙ্গী ভাইজান'-এর মুক্তির পর দু'দিনে আয় ছিল ৬৩.৭৫ কোটি টাকা, সেখানে 'প্রেম রতন ধন পায়ো'-র আয় ৭১.৩৮ কোটি টাকা। বলিউডের আশা, তৃতীয় দিনেই ছবিটি ঢুকে পড়বে ১০০ কোটির ক্লাবে।
সূত্র: এই সময়