Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

Monday, 1 February 2016

অর্থনৈতিক উন্নয়নে যাকাত ব্যবস্থাপনার সুফল

অর্থনৈতিক উন্নয়নে যাকাত ব্যবস্থাপনার সুফল

অর্থনৈতিক উন্নয়নে যাকাত ব্যবস্থাপনার সুফল

পোস্ট: সম্পাদকতারিখ: জানুয়ারী ২৯, ২০১৬বিভাগ: অর্থনীতি/ব্যবসা-বাণিজ্য১টি মন্তব্য প্রিন্ট ই-মেইল
0  0  0  

মানব সমাজের অর্থনৈতিক ভারসাম্য সংরক্ষণে যাকাত ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলাম সম্পদের লাগামহীন সঞ্চয়কে নিয়ন্ত্রণ করে পুঁজিবাদের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে সমাজকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আবার হালাল হারামের শর্ত, বিকেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থা, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর করে যাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে এক সুবিচার ও ভারসাম্যমূলক অর্থনীতি উপহার দিয়েছে।[1] ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সংযত পদ্ধতি এ নির্দেশ প্রদান করে যে, ধন-সম্পদ জমা ও সঞ্চয় করার জন্য নয়, বরং একে বণ্টন করতে হবে এবং (এক হাত থেকে অপর হাতে) চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। তাতে করে মানুষের মধ্যে সম্পদের ভারসাম্য অক্ষুন্ন থাকবে। আর এ ব্যাপারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইন হলো ‘যাকাতের বিধান’। এ জন্য যাকাত প্রদান ফরয করা হয়েছে। ইসলাম সীমিত পর্যায়ে ব্যক্তি মালিকানাকে স্বীকার করে নিলেও এ সুযোগে যাতে অশুভ পুঁজিতন্ত্রের সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি রেখেছে। ইসলাম মনে করে, নিত্য দিনের প্রয়োজন পূরণ করার পর এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাদ দেওয়ার পর যদি কারো নিকট সাড়ে বায়ান্ন তোলা (৫৯৫ গ্রাম) পরিমাণ রূপা কিংবা সাড়ে সাত তোলা (৮৫ গ্রাম) স্বর্ণ বা এর সমমূল্যের সম্পদ এক বৎসর কাল পর্যন্ত সঞ্চিত থাকে তাহলে সে ব্যক্তি সম্পদশালী। এ ধরনের সম্পদশালী ব্যক্তিদের থেকে রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য অভাবী মানুষের প্রয়োজন এবং সামাজিক প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্য ঐ সঞ্চিত সম্পদের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ রাষ্ট্রীয় বায়তুল মালে জমা করার দাবী জানায়। এর এ দাবী ঐচ্ছিক পর্যায়ের নয়; বরং এ দাবী আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক এবং ধর্মীয়ভাবে অবশ্যই পালনীয় ফরযরূপে অবধারিত করে দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি তা আদায় না করে তার জন্য আইনগতভাবে শাস্তির সাথে সাথে পরকালীন কঠিন আযাবের ব্যাপারেও সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন-

﴿وَٱلَّذِينَ يَكۡنِزُونَ ٱلذَّهَبَ وَٱلۡفِضَّةَ وَلَا يُنفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ فَبَشِّرۡهُم بِعَذَابٍ أَلِيمٖ ٣٤ يَوۡمَ يُحۡمَىٰ عَلَيۡهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكۡوَىٰ بِهَا جِبَاهُهُمۡ وَجُنُوبُهُمۡ وَظُهُورُهُمۡۖ هَٰذَا مَا كَنَزۡتُمۡ لِأَنفُسِكُمۡ فَذُوقُواْ مَا كُنتُمۡ تَكۡنِزُونَ ٣٥﴾ [التوبة: ٣٤، ٣٥]

‘‘আর যারা সোনা রূপা (অর্থ-সম্পদ) জমা করে রাখে এবং সেগুলো আল্লাহর পথে যাকাত হিসেবে ব্যয় করে না তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও। কিয়ামতের দিন সেগুলো জাহান্নামের আগুনে উত্তপ্ত করা হবে এবং সেগুলো দ্বারা তাদের মুখমণ্ডল, পার্শ্বদেশ এবং পৃষ্ঠদেশে দাগ দেওয়া হবে। আর বলা হবে এগুলোই সেই সম্পদ যা তোমরা (যাকাত না দিয়ে) পুঞ্জিভূত করে রেখেছিলে।’’ [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৩৪-৩৫]

২. যাকাতের সংজ্ঞা, পরিমাণ ও শর‘ঈ বিধান:

যাকাত আরবী শব্দ, আভিধানিক অর্থ হলো ‘পরিশুদ্ধকরণ’। ইসলামী দৃষ্টিকোণ হতে যাকাত সম্পদ পরিশুদ্ধ করার জন্যই ব্যবহৃত হয়। যেমন, আল-কুরআনে এসেছে,

﴿خُذۡ مِنۡ أَمۡوَٰلِهِمۡ صَدَقَةٗ تُطَهِّرُهُمۡ وَتُزَكِّيهِم بِهَا ١٠٣﴾ [التوبة: ١٠٣]

‘‘তাদের সম্পদ থেকে যাকাত নিন যা তাদের পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করবে।’’ [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ১০৩]

﴿وَأَقِمۡنَ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتِينَ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِعۡنَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥٓۚ إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذۡهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجۡسَ أَهۡلَ ٱلۡبَيۡتِ وَيُطَهِّرَكُمۡ تَطۡهِيرٗا ٣٣﴾ [الاحزاب: ٣٣]

‘‘সালাত কায়েম কর, যাকাত আদায় কর, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর, আল্লাহ তো চান তোমাদের কলুষমুক্ত করে পবিত্র-পরিচ্ছন্ন করতে।’’ [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩]

শরী‘আতের দৃষ্টিতে ‘যাকাত’ প্রযোজ্য হয় ধন-সম্পদে আল্লাহ কর্তৃক সুনির্দিষ্ট ও ফরযকৃত অংশ বোঝানোর জন্য।[2] ধন-সম্পদ থেকে এ নির্দিষ্ট অংশ বের করাকে ‘যাকাত’ বলা হয় এ জন্য যে, যে মাল থেকে তা নির্ধারণ করা হলো, যাকাতের কারণে তা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। ব্যবহারিক অর্থে ‘‘যে কোনো প্রকারের বহন বা স্থানান্তরযোগ্য সম্পদ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে (নিসাব) পৌঁছালে তার ওপর দেয় সম্পদকে যাকাত বলে।’’[3] অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে যাকাত হলো, ‘‘বিত্তশালীদের উপর আরোপিত এক ধরনের সুনির্দিষ্ট কর।’’[4] বিত্তশালী বলতে যারা সম্পদের নিসাব (অর্থাৎ নির্দিষ্ট একটা সময়ে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা সম্পদের মালিক) তাদেরই বোঝায়। নিসাবের পরিমাণ হলো সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা, ব্যবসায়ের পণ্য এবং বাড়ী-ঘরের এর পূর্ণ এক বৎসরের মালিকানায় থাকা। এক্ষেত্রে যাকাতের হার হলো মজুদ বা সঞ্চিত সম্পদের ১/৪০ অংশ বা ২.৫%।[5] ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে যাকাত অন্যতম। ইসলামী অর্থনীতিতে যাকাতের গুরুত্ব অপরিসীম। যাকাত একদিকে মানুষের ধন-সম্

Monday, 7 December 2015

আমি অবৈধ মেলামেশা না করে, যদি হস্তমৈথন করি তাহলে সেইটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে খারাপ?

আমি অবৈধ মেলামেশা না করে, যদি হস্তমৈথন করি তাহলে সেইটা কি ইসলামের দৃষ্টিতে খারাপ?

আমি কোন মেয়ের সাথে অবৈ্ধ মেলামেশা না করি যদি হস্তমৈথন করি তাহলে সেইটা ইসলামের দৃষ্টিতে ভাল না খারাপ?

উত্তরঃ

কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা সাত ব্যাক্তির দিকে তাকাবেন না – তার মধ্যে যে ব্যাক্তি হস্তমৈথন করে সেও একজন।

১ . যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। পুড়িয়ে বা ছিড়ে ফেলুন। হার্ডড্রাইব বা মেমরি থেকে এক্ষুনি ডিলিট করে দিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। সব সময় কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকুন। আগে থেকে সারাদিনের শিডিউল ঠিক করে রাখুন। তারপর একের পর এক কাজ করে যান। হস্তমৈথুনের চিন্তা মাথায় আসবে না। যারা একা একা সময় বেশি কাটায়, যাদের বন্ধুবান্ধব কম, দেখা গেছে তারাই ঘনঘন হস্তমৈথুন বেশি করে। একা একা না থেকে বন্ধুবান্ধবদের সাথে সময় কাটান। একা একা টিভি না দেখে বন্ধুদের সাথে কিছু করুন। বন্ধুবান্ধব না থাকলে ঘরে বসে না থেকে পাবলিক প্লেসে বেশি সময় কাটান।

২ . বসে না থেকে সময়টা কাজে লাগান। জীবনকে সৃষ্টিশীল কর্মকাণ্ড দিয়ে ভরিয়ে তুলুন। সব সময় নতুন কিছু করার দিকে ঝোঁক থাকলে হস্তমৈথুনের ব্যাপারটা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে। এই সাথে আরো সব বাজে জিনিসগুলোও জীবন থেকে হারিয়ে যাবে। নতুন ভাবে জীবনকে উপলব্ধি করতে পারবেন, বেঁচে থাকার নতুন মানে খুঁজে পাবেন। সৃষ্টিশীল কাজে জড়িয়ে পড়ুন। লেখালেখি করতে পারেন, গান-বাজনা শিখতে পারেন, আঁকাআঁকি করতে পারেন, অথবা আপনি যা পারেন সেটাই করবেন। নিয়মিত খেলাধূলা করুন। ব্যায়াম করুন। এতে মনে শৃঙ্খলাবোধের সৃষ্টি হবে। নিয়মিত হাঁটতে পারেন, দৌড়াতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন, জিমে গিয়া ব্যায়াম করতে পারেন। বিকেলে ফুটবল, ক্রিকেট- যা ইচ্ছে, কিছু একটা করুন। স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন। ফলমূল-শাকসবজি বেশি খাবেন। নতুন কোন শখ বা হবি নিয়ে মেতে উঠুন। বাগান করতে পারেন, নিজের রান্না নিজে করতে পারেন, আরো কত কিছু আছে করার। আপনি যা করতে বেশি পছন্দ করেন, সেটাই করবেন। কিছুদিন পর আবার আরো নতুন কিছু করতে বা জানতে চেষ্টা করুন। অফুরন্ত সময় থাকলে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ুন। দেশ ও দশের জন্য সেবামূলক কাজে জড়িত হোন।

৩. ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনের একটা নেশা থেকে মুক্ত পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার আগাতে হবে। ভালো কাজ করলে নিজেকে নিজে নিজে পুরস্কৃত করবেন। ভালো কোন জায়গাত ঘুরতে যাবেন। ভালো কোন রেস্টুরেন্টে গিয়ে খেয়ে আসবেন। নিজেকে ছোট ছোট গিফট কিনে দেবেন এবং সেগুলো চোখের সামনে রাখবেন এবং মনে করবেন যে অমুক ভালো কাজের জন্য এই জিনিসটা পেয়েছিলেন।

৪. অপরের সাহায্য নিতে ভুল করবেন না। রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই।

Friday, 20 November 2015

আরব বিশ্বে প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই)।

আরব বিশ্বে প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই)।

আরব বিশ্বে প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত(ইউএই)।

বুধবার দেশটির ফেডারেল ন্যাশনাল কাউন্সিলের (এফএনসি) সদস্যরা আমাল আল-কুবাইসিকে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আল-এরাবিয়া।

সাতটি রাজ্য বা আমিরাতের প্রতিনিধিত্বকারী গুরুত্বপূর্ণ এ কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টই পদাধিকার বলে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে আরব আমিরাতের ৭৯ হাজার ভোটার ৪০ সদস্যবিশিষ্ট এফএনসির ২০ সদস্যকে নির্বাচিত করেন। বাকিরা আমিরাতগুলোর(প্রদেশ বা রাজ্য) ইলেকটোরাল কলেজের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হন। এফএনসির সদরদপ্তর ইউএই-এর রাজধানী আবুধাবিতে।  

এফএনসি সরকারের উপদেষ্টা পর্ষদ হিসেবে কাজ করে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর উৎফুল্ল কুবাইসি তার প্রতিক্রিয়ায় কাউন্সিলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।

“আরব বিশ্বের প্রথম নারী হিসেবে এ দায়িত্ব পাওয়ায় নিজেকে গর্বিত লাগছে।”

এর আগে ২০০৬ সালে কাউন্সিলের প্রথম নারী সদস্য মনোনীত হয়েও ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রিধারী এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুবাইসি।

তিনি কিছু সময়ের জন্য এফএনসির ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও পালন করেছেন। আর ওই সময়েই তিনি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে তার যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন।

টুইটারে নতুন স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুম।

অন্য এক টুইট বার্তায় মাকতুম আমিরাতের নারীদের ‘অসামান্য রাজনীতিবিদ’ উল্লেখ করে বলেছেন, তারা দেশ ও আরব বিশ্বকে বিশ্বের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের জন্য যোগ্য। 

ওই অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশেই নারীদের জনসম্মুখে আসা ও ভোটাধিকার প্রাপ্তি নিষিদ্ধ। কিছু কিছু দেশে তাদের গাড়ি চালানোর অনুমতিও দেয়া হয়না।

কুবাইসির স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ‘আরব বিশ্বে নারী জাগরণে’ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংবাদপত্র খালিজ টাইমসের নগর সম্পাদক মুস্তাফা আল জারুনিও।

আল-এরাবিয়াকে তিনি বলেন, “এ অসাধারণ পদক্ষেপ বোঝাচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্ব সমাজ ও রাজনীতিতে নারীদের এগিয়ে আসতে উৎসাহ দিচ্ছেন।”

একইরকম মন্তব্য করেছেন দুবাইভিত্তিক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুলখালেক আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “অনেকেই মনে করেন, নারী প্রতিনিধিত্ব আসলে লোক দেখানো ব্যাপার। কিন্তু কুবাইসি প্রমাণ করেছে, তার যোগ্যতাই তাকে এত উপরে নিয়ে এসেছে।”

Monday, 16 November 2015

সালমানের 'প্রেম'-এ বক্সঅফিসে কাত বজরঙ্গী ভাইজান

সালমানের 'প্রেম'-এ বক্সঅফিসে কাত বজরঙ্গী ভাইজান

নিন্দুকেরা বলেছিলেন 'ন্যাকামি'র চূড়ান্ত। করণ জোহর বলেছেন, 'কনটেন্টের চেয়ে বলিউড অনেক বেশি জোর দেয় স্টারের উপর।'। শেষমেশ অবশ্য কোনাে সমালোচনাই ধোপে টিকল না। সালমান খানের 'প্রেম রতন ধন পায়ো' বক্স অফিসে আক্ষরিক অর্থেই দীপাবলি ধামাকা। দু'দিনেই বক্স অফিস কলেকশন দাঁড়াল ৭১.৩৮ কোটি টাকা। 'বজরঙ্গী ভাইজান'-এর রেকর্ড ছাপিয়ে ২০১৫-এ 'প্রেম রতন ধন পায়ো'-ই এখনও পর্যন্ত বিগেস্ট হিন্দি ওপেনার।
'হাম আপকে হ্যায় কৌন', 'হাম সাথ সাথ হ্যায়', 'ম্যায়নে পেয়ার কিয়া'-এর পর বহু বছর বাদে একটি পারিবারিক ছবিতে কাজ করলেন সালমান খান। দীর্ঘ কয়েক বছর অ্যাকশন ছবির পর সল্লু ভাইয়ের 'প্রেম' ইমেজে যে একটুও ভাঁটা পড়েনি, তারই প্রমাণ 'প্রেম রতন ধন পায়ো।' এ বছর সালমানের পরপর দুটি ছবিই একেবারে ভিন্ন স্বাদের। ঈদে 'বজরঙ্গী ভাইজান'-এর পর দীপাবলিতে 'প্রেম রতন ধন পায়ো'। এবং দ্বিতীয় ছবি ছাপিয়ে গেল বজরঙ্গীর রেকর্ড।
'বজরঙ্গী ভাইজান'-এর মুক্তির পর দু'দিনে আয় ছিল ৬৩.৭৫ কোটি টাকা, সেখানে 'প্রেম রতন ধন পায়ো'-র আয় ৭১.৩৮ কোটি টাকা। বলিউডের আশা, তৃতীয় দিনেই ছবিটি ঢুকে পড়বে ১০০ কোটির ক্লাবে।
সূত্র: এই সময়

কুস্তির কর্পোরেট আসরে সোনাক্ষী

কুস্তির কর্পোরেট আসরে সোনাক্ষী

ধর্মেন্দ্র এবং সঞ্জয় দত্তের মতো হি-ম্যান সুলভ বলিউড স্টাররা কুস্তির কর্পোরেট টুর্নামেন্ট প্রো রেস্টলিং লিগে (পিডব্লিউএল) অংশ নিয়েছেন আগেই। এবার পিডব্লিউএল-এর আসরে নাম লেখালেন সোনাক্ষী দাবাং সিনহা। জানা যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন তিনি। এই দলে দেশের অলিম্পিক পদকজয়ী সুশীল কুমার ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অ্যালিনা স্ট্যাডনিক রয়েছেন।

সোনাক্ষীই প্রথম মহিলা অভিনেত্রী যিনি এই টুর্নামেন্টের ব্যান্ডওয়াগন হতে চলেছেন। চলতি বছর ১০-২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কুস্তির কর্পোরেট লডা়ই।সোনাক্ষীর অন্তর্ভুক্তির কথা যদিও সরকারি ভাবে আর কিছুদিন পরে জানানো হবে। তবে তাঁর আগমনী বার্তাই ঝড় তুলে দিয়েছে।

তিন দিনে সালমানের ১০০ কোটি রুপি!

তিন দিনে সালমানের ১০০ কোটি রুপি!

তিন দিনে সালমানের ১০০ কোটি রুপি!

১৬ নভেম্বর ২০১৫, ১০:৩৫

সামি আল মেহেদী

সালমান-সোনম জুটি সুপারহিট। ছবি : এনডিটিভি

সালমান খানের ছবি মানে মুক্তির আগেই ব্লকবাস্টার হিট। ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’ দারুণ সাফল্য পেতে যাচ্ছে, এ নিয়ে দ্বিধা ছিল না কারোই। তবে সালমানের ‘প্রেম ম্যাজিক’ যে এমন দুর্দান্ত কাজ করবে, কয়জনই বা আন্দাজ করেছিলেন! মুক্তির মাত্র তিন দিনের মাথায় ডমেস্টিক বক্স-অফিসে ১০০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে ছবিটি। এনডিটিভির খবরে জানা গেল, বিদেশের মাটিতেও ‘জোড়া’ সালমানে আচ্ছন্ন রুপালি পর্দা। 

বছরের পঞ্চম ছবি হিসেবে ১০০ কোটি রুপির বেঞ্চমার্ক পেরোল ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’। এর আগে ‘বজরঙ্গি ভাইজান’, ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’, ‘বাহুবলি’ ও ‘এবিসিডি ২’ এ বছর শতকোটি রুপির বাণিজ্য করেছে। তবে সবচেয়ে জমজমাট এখন সালমানের সাফল্য-কাহিনী। ‘প্রেম রতন ধান পায়ো’র মাধ্যমে নবমবারের মতো শতকোটি রুপি আয় করা ছবি ক্যারিয়ারে যোগ হলো তাঁর। 

Friday, 13 November 2015

কাঠুরিয়ার দেওয়া জনপ্রিয় সংবাদ, খেলার সংবাদ ,ব্লগ ডিজাইন ও  টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন ।

কাঠুরিয়ার দেওয়া জনপ্রিয় সংবাদ, খেলার সংবাদ ,ব্লগ ডিজাইন ও টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন ।

স্বাগতম । ব্লগ ডিজাইন,  জনপ্রিয় সংবাদ, খেলার সংবাদ , লেখাপড়া ও সাজেশন, বিনোদন , টিউটোরিয়াল , মাবাইল ও ফ্রি ইন্টারনেট পেতে আমাদের এই প্রচেষ্টা ।